গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণজ্ঞাপন বিভাগ ও বিকশিত ভারত শাখার “বক্তৃতা অনুষ্ঠান
বরাক তরঙ্গ, ২২ নভেম্বর : বিকশিত ভারত গড়ে তুলতে হলে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে হবে। শনিবার গুরুচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণজ্ঞাপন বিভাগ ও বিকশিত ভারত শাখার উদ্যোগে “Nation First: The Road Ahead for Vikshit Bharat” শীর্ষক একটি বক্তৃতা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের অখিল ভারতীয় সহ-প্রচার প্রমুখ প্রদীপ যোশি। এ দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত বক্তৃতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের, দক্ষিণ আসাম প্রান্ত সংঘ চালক জ্যোৎস্নাময় চক্রবর্তী, দক্ষিণ অসম প্রান্ত প্রচারক গৌরাঙ্গ রায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিরঞ্জন রায় ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
প্রধান অতিথি প্রদীপ যোশি তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, অত্যন্ত সমৃদ্ধ সভ্যতার দেশ ভারতবর্ষ বিদেশি আক্রমণ ও শাসনের ফলে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিল, সেই সুযোগ নিয়েছিল বিদেশিরা। এখন সময় এসেছে ভারতকে পুনর্গঠনের। বিকশিত ভারত গড়ে তুলতে হলে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ভারত তখনই বিকশিত হবে যখন আমরা স্বনির্ভর হতে পারব। দেশের সামাজিক অখণ্ডতা বজায় রেখে শিক্ষা, অর্থনীতি ও সামরিক ক্ষেত্রে সমানভাবে উন্নতি ঘটাতে হবে। তবেই বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব।
উপাচার্য অধ্যাপক নিরঞ্জন রায় বক্তব্যে বলেন, আমাদের চাকরির মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে নিজস্ব উদ্যোগ গড়ে তুলতে হবে। জাতীয় শিক্ষানীতির মূল উদ্দেশ্য ম্যাকলে-প্রবর্তিত শিক্ষা ব্যবস্থাকে পেছনে ফেলে নতুন নীতির মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের দক্ষতার বিকাশ ঘটানো। একবিংশ শতকে দক্ষতা বৃদ্ধিই আমাদের বিকশিত ভারতের পথে এগিয়ে নেবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক অভিজিৎ জয়সওয়াল। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী স্বর্ণালী পুরকায়স্থ সরস্বতী বন্দনা পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানের শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন শৈক্ষিক নিবন্ধক ড. অভিজিৎ নাথ। রাষ্ট্র গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ড. দীপরাজ চক্রবর্তী।



