রূপক চক্রবর্তী, শিলচর।
বরাক তরঙ্গ, ১৬ ফেব্রুয়ারি : কাছাড় জেলার গ্রামীণ অঞ্চলে পানীয়জল পরিষেবায় গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরব হলেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী নাজিয়া ইয়াসমিন মজুমদার। ‘জল জীবন মিশন’-এর অধীনে দীর্ঘদিন ধরে জল পরিশোধন সংক্রান্ত রাসায়নিকের ঘাটতি এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত ‘জলমিত্র’-দের বকেয়া পারিশ্রমিকের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল (পিএইচই) দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের কাছে একটি বিস্তারিত স্মারকলিপি পেশ করেন।
স্মারকলিপি প্রদান শেষে নাজিয়া ইয়াসমিন জানান, কাগজে-কলমে ‘জল জীবন মিশন’-এর সাফল্যের প্রচার চললেও বাস্তবে জেলার বহু গ্রামে এখনও নিরাপদ পানীয়জল পৌঁছায়নি। ক্লোরিনসহ প্রয়োজনীয় জল পরিশোধন রাসায়নিকের অভাবে গ্রামবাসীদের দূষিত জল পান করতে বাধ্য হতে হচ্ছে। এমনকি কিছু এলাকায় দরিদ্র গ্রামবাসীদের কাছ থেকেই অর্থ সংগ্রহ করে রাসায়নিক কেনার অভিযোগ উঠেছে, যা প্রশাসনিক ব্যর্থতারই স্পষ্ট প্রমাণ বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জল সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ‘জল মিত্র’-দের মাসের পর মাস পারিশ্রমিক প্রদান করা হয়নি। পঞ্চায়েত তহবিলের অজুহাতে তাঁদের ন্যায্য সম্মানী আটকে রাখা হয়েছে, ফলে তাঁরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। নাজিয়া ইয়াসমিন বলেন, মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মীদের যথাযথ সম্মান ও সময়মতো পারিশ্রমিক নিশ্চিত না করলে কোনও সরকারি প্রকল্পই দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকর হতে পারে না। তিনি অবিলম্বে জল পরিশোধন রাসায়নিকের নিয়মিত সরবরাহ, ‘জলমিত্র’-দের সমস্ত বকেয়া পারিশ্রমিক পরিশোধ এবং গোটা বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে লিখিত ব্যাখ্যা প্রকাশের জোর দাবি



