বরাক তরঙ্গ, ১১ ফেব্রুয়ারি : ধলাই বিধানসভাচক্রের বড়জালেঙ্গা উন্নয়ন খণ্ডে বুধবার ছয়টি মডেল অঙ্গনবাড়ি কেন্দ্রের শিলান্যাস করলেন বিধায়ক নীহাররঞ্জন দাস। শিলান্যাস করা মডেল অঙ্গনবাড়ি কেন্দ্র গুলি হচ্ছে- ৩২ নম্বর কৈলাশপুর চা-বাগান মডেল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, ১৮৭ নম্বর যুগীরবন্দ গ্রাণ্ট মডেল অঙ্গনবাড়ি কেন্দ্র, ১৯৩ নম্বর বাজারটিলা মডেল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, ১০ নম্বর নাগাথল কালীবাড়ি মডেল অঙ্গনবাড়ি কেন্দ্র, ১৭০ নম্বর তারানাথপুর প্রথম খণ্ড মডেল অঙ্গনবাড়ি কেন্দ্র ও ১৭১ নম্বর তারানাথপুর ২য় খণ্ড মডেল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। প্রতিটি মডেল অঙ্গনবাড়ি কেন্দ্রের জন্য পঁচিশ লক্ষ টাকা করে অর্থ মঞ্জুর হয়েছে। এদিন মডেল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিলান্যাস শেষে পৃথক পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে বক্তব্য রাখেন বিধায়ক নীহাররঞ্জন দাস সহ অন্যান্যরা।
এদিন শিলান্যাস অনুষ্ঠানের পৃথক পৃথক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক নীহাররঞ্জন দাস বলেন, একটা শিশু শুধুমাত্র আগামীদিনের ভবিষ্যৎ নয়, বরং দেশের সম্পদ। এই সম্পদকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে সরকারের এই বিশেষ প্রয়াস। তাই সরকারের এই উদ্যোগের সঠিক রূপ দিতে সকলের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ীর নেতৃত্বে শিক্ষার বিকাশে পরিবর্তন এসেছিল বলে মন্তব্য করেন বিধায়ক। তিনি বলেন, বর্তমানে কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি ও রাজ্যে ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বে শিক্ষার বিকাশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে । সেই লক্ষ্যে ২৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সম্পূর্ণ সুযোগ সুবিধা দিয়ে অত্যাধুনিক মডেল অঙ্গনওয়াড়ি নির্মান করা হচ্ছে। তিনি বলেন সরকার মডেল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র নির্মাণের পাশাপাশি বিভিন্ন মাধ্যমিক স্কুলে ৭ থেকে ৮ কোটি টাকা দিয়ে অত্যাধুনিক স্কুল ভবন নির্মাণ করে দিচ্ছে, উদ্দেশ্য একটাই শিক্ষার বিকাশ।
বিধায়ক বলেন, আজকের দিনে যারা টেট শিক্ষক হিসেবে নিযুক্তি পেয়েছেন সবাই উচ্চ শিক্ষিত এবং সরকার মনে করে ছাত্রদের সঠিক ভাবে মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে এরাই হবেন মূল কারিগর মন্তব্য বিধায়কের। তিনি বলেন আসাম সরকারের একটা যুগান্তকারী পদক্ষেপ হচ্ছে সুশিক্ষিত বেকার যুবক যুবতীদের শিক্ষক হিসাবে নিযুক্তি প্রদান। নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্ত বিশ্ব শৰ্মার দুরদর্শী নেতৃত্বের ভূয়শী প্রশংসা করেন বিধায়ক নীহার রঞ্জন দাস।
এদিনের পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বড়জালেঙ্গা মণ্ডল সভাপতি অজয় দেব, জেলা পরিষদ সদস্য ধর্মেন্দ্র তেওয়ারী, বড়জালেঙ্গা ব্লক আঞ্চলিক পঞ্চায়েত সভানেত্রী বুল্টি দেব, বিজেপি কৃষক মোর্চার জেলা সহ সভাপতি হরিপদ রাহা, বিজেপি বড়জালেঙ্গা মণ্ডল সহ সভাপতি পার্থ সেন ও সরিতা সিং, দুই সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে সুপায়ন চৌধুরী ও সুদীপ কুমার, আইরংমারা জিপির প্রাক্তন সভাপতি প্রবীর ভট্টাচার্য, সোনাছড়া, বড়জালেঙ্গা ও তারানাথপুর জিপির জিপি সভাপতি ও আঞ্চলিক পঞ্চায়েত সদস্য সহ দলের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।



