ছড়িয়ে ছিটিয়ে শ্রমিকদের দগ্ধ দেহের টুকরো, ছত্তিশগড়ের কারখানায় বিস্ফোরণে শিউরে ওঠা দৃশ্য

২২ জানুয়ারি : কারখানায় ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে মৃত্যুমিছিল। বিকট শব্দে কেঁপে উঠল ছত্তিশগড়ের গ্রাম। কারখানায় জীবন্ত দগ্ধ হয়ে কমপক্ষে সাতজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ছত্তিশগড়ের ভাটাপাড়া জেলায়। বৃহস্পতিবার পুলিশ জানিয়েছে, একটি স্পঞ্জ আয়রন কারখানায় ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ঘটেছে। দুর্ঘটনার সময় কারখানায় বহু শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন। বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ হয়ে সাতজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও একাধিক শ্রমিক।

বিস্ফোরণের জেরে কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে গেছে গোটা এলাকা। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গ্রাম। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১০ জন শ্রমিককে উদ্ধার করেছে পুলিশ। যাঁদের মধ্যে সাতজন জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন। তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। কারখানায় আরও শ্রমিক আটকে আছেন কিনা, তল্লাশি চালিয়ে দেখছে পুলিশ।

দিন কয়েক আগে কর্ণাটকের এক কারখানায় এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ভরদুপুরে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে কর্ণাটকের বিস্তীর্ণ এলাকা। একটি চিনির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। বয়লার ফেটে একাধিক শ্রমিকের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হন আরও অনেকেই। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারার আশঙ্কা ছিল।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ঘটনাটি ঘটেছিল কর্ণাটকের বেলগাভি জেলায়। পুলিশ জানিয়েছে, এক চিনির কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে। বয়লার বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত দু’জনের মৃত্যু হয়েছিল। গুরুতর আহত হন আরও আটজন শ্রমিক।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, মারাকুম্ভি গ্রামে ইনামদার চিনির কারখানায় আচমকাই বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দুপুর দু’টো নাগাদ বিস্ফোরণে কারখানা কেঁপে ওঠে। আতঙ্কে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। কোনও মতে পালিয়ে বেঁচে যান অধিকাংশের বেশি শ্রমিক।

বেলগাভির পুলিশ আধিকারিক কে রামারঞ্জন জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় আটজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কীভাবে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছে, তা ঘিরে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *