মোহাম্মদ জনি, শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ১২ জানুয়ারি : সাহিত্যের মহামিলনে ‘হমাজি’ প্রকাশিত হল সপ্তম সংখ্যা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হল। এই বিশেষ সংখ্যাটি অসমের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী জুবিন গর্গের স্মৃতির প্রতি উৎসর্গীকৃত একটি বিশেষ সংখ্যা হিসেবে প্রকাশ পায়। বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব সুভাষচন্দ্র সিংহ এবং মুখ্য অতিথি বিশিষ্ট সাহিত্যিক বাণীব্রত রায়ের করকমলে ‘হমাজি’ পত্রিকার ৭ম সংখ্যার আনুষ্ঠানিক উন্মোচন হয়। উন্মোচন পর্বে সুভাষচন্দ্র সিংহ তাঁর বক্তব্যে বলেন, ত্রিভাষিক মহিলা সাহিত্য পত্রিকা ‘হমাজি’ সাহিত্যচর্চার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই পত্রিকার মাধ্যমে নারীর সৃজনশীলতা, অনুভব ও চেতনার যে প্রকাশ ঘটছে তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।তিনি ‘হমাজি’-র উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি কামনা করেন এবং এই মহতী সাহিত্যপ্রয়াসের সঙ্গে যুক্ত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
মুখ্য অতিথি বাণীব্রত রায় বক্তব্যে বলেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ত্রিভাষিক সাহিত্যজগতে ‘হমাজি’ এক উল্লেখযোগ্য নাম। কবিতা মানুষের মনের গভীরতম স্তরের উচ্চারণ, নিঃসঙ্গ সত্তার উন্মোচন এবং চেতনার দর্পণ। কবিতা সাহিত্যের এক নান্দনিক অলংকার। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী, বাংলা ও অসমিয়া ভাষার মহিলা কবিদের সৃজনশীল কবিতা সংকলন করে কবিতাপ্রেমীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার যে নিরলস প্রয়াস সম্পাদক সুচরিতা সিংহ করে চলেছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য। চাউলুং চ্যু-কা-ফা ভাইস চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ দয়ানন্দ বরগোহাঞি বলেন, অসমিয়া, বাংলা ও বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ভাষায় ত্রিভাষিক ষান্মাসিক মহিলা সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ করে সম্পাদক সুচরিতা সিংহ এক নবদিগন্তের সূচনা করেছেন। বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি যুব পরিষদের সহ-সভাপতি প্রদীপ সিংহ বলেন, বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি, বাংলা ও অসমিয়া ভাষার মেলবন্ধনে ‘হমাজি’ এক অতুলনীয় ত্রিভাষিক মহিলা সাহিত্য পত্রিকা।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সম্পাদক সুচরিতা সিংহ উন্মোচক সুভাষচন্দ্র সিংহের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। উপস্থিত বিশিষ্টজনদের মধ্যে বিমান মুখার্জি, সোনাচাঁন সিংহ, মাতা সুরধনী সিংহ, কৃষ্ণানন্দ সিংহ, সুকান্ত সিংহ, শ্যামল সিংহ, সরিতা সিংহ, রূপক দে প্রমুখ।



