১৯ জানুয়ারি : ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন কার্যকরী সভাপতি নীতিন নবীন। বিজেপির পরবর্তী সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সোমবার কার্যত চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রবীণ নেতা নিতিন নবীন (৪৬)-এর সমর্থনে মোট ৩৭ সেট মনোনয়নপত্র দাখিল হওয়ায় তাঁর সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার পথ প্রায় নিশ্চিত হয়ে উঠেছে।
এর মধ্যে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে ৩৬টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। পাশাপাশি বিজেপির জাতীয় পরিষদ ও সংসদীয় দলের পক্ষ থেকে একটি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়, যেখানে প্রস্তাবক হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিদায়ী দলীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং আরও ২০ জন কেন্দ্রীয় স্তরের প্রবীণ নেতার নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি মনোনয়নপত্রে ২০ জন করে প্রস্তাবকের স্বাক্ষর রয়েছে। সোমবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়ন দাখিলের সময়সীমা ছিল। সন্ধ্যা ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।
বিজেপির জাতীয় সভাপতি নির্বাচন ‘অর্গানাইজেশন পার্ব ২০২৪’-এর অধীনে অনুষ্ঠিত বৃহৎ সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত ধাপ। সংবিধানসম্মত এই অভ্যন্তরীণ নির্বাচন প্রক্রিয়া তৃণমূল স্তর থেকে শুরু হয়ে ধাপে ধাপে জাতীয় স্তরে এসে পৌঁছেছে।
এ দিকে, ৪৬ বছরের নিতিন বিজেপির সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি হতে চলেছেন। এতে খানিক ক্ষুব্ধ বিজেপির দ্বিতীয় সারির নেতারা। অনেকের আশঙ্কা, নিতিন সভাপতি হলে দলের মধ্যে তথাকথিত অল্পবয়সি নেতাদের দাপটে ধর্মেন্দ্র প্রধান, ভূপেন্দ্র যাদব, অশ্বিনী বৈষ্ণব, নির্মলা সীতারামনের মতো দ্বিতীয় সারির বিজেপি নেতানেত্রীরা গুরুত্বহীন হয়ে পড়তে পারেন। ফলে নিতিনের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, এই সব দ্বিতীয় সারির নেতার ক্ষোভ প্রশমিত করা।



