বরাক তরঙ্গ, ১২ মার্চ : চা-বাগান এলাকায় শিক্ষার মানদণ্ড উন্নত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের চা বাগান এলাকার চা শ্রমিকদের ছেলে মেয়েদের উচ্চ শিক্ষার প্রসারে ও শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য উন্নত পরিকাঠামো গড়ে তুলতে প্রয়াস জারি রেখেছে সরকার। বুধবার ধলাই বিধানসভা সমষ্টির ভুবনডহর চা-বাগানে আর আই ডি এফ প্রকল্প থেকে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নবনির্মিত মডেল সেকেন্ডারি স্কুল ভবনের শুভ উদ্বোধন করে এই মন্তব্য করেন ধলাইর বিধায়ক নীহার রঞ্জন দাস।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক আরও বলেন, চা-বাগান এলাকায় শিক্ষার মানদণ্ড উন্নত করা এবং ছাত্রছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে শৈক্ষিক পরিবেশ সুনিশ্চিত করে তুলতে ড. হিমন্ত বিশ্ব শৰ্মা নেতৃত্বাধীন আসাম সরকার নিরন্তর কাজ করে চলেছে। নতুন এই ভবনটি নির্মাণের ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে খুশির বাতাবরণ সৃষ্টি হয়েছে এবং এর ফলে স্থানীয় চা শ্রমিকদের ছেলে মেয়েরা উন্নত ও আধুনিক শিক্ষার পরিবেশে নিজেদেরকে ভবিষ্যতে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি। শুধু শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন নয়, চা-বাগান এলাকার উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা সহ চা শ্রমিকদের আর্থ সামাজিক বিকাশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার, মন্তব্য বিধায়ক নীহারের।

উল্লেখ্য এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ সদস্যা পম্পী নাথ চৌধুরী, ভুবনডহর জিপি সভানেত্রী উমারানি দাস, আঞ্চলিক পঞ্চায়েত সদস্য সাপু রবিদাস, বিজেপি কাছাড় জেলা কমিটির কার্য্যনির্বাহক সদস্য ভূষণ পাল, বিজেপির নরসিংপুর মণ্ডলের প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি বিধানচন্দ্র পাল, জিপি সভানেত্রীর প্রতিনিধি রাজীব দাস, শিক্ষাবিদ সুবীর মালাকার, বলরাম ভার্মা, অজয় লস্কর সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী, অভিভাবকসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, এদিন নিজের বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন তহবিল থেকে ৪ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার মঞ্জুরীকৃত অর্থে সপ্তগ্রাম কালীবাড়িতে একটি কমিউনিটি হল নির্মাণ কাজেরও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বিধায়ক নীহাররঞ্জন দাস। পরে শিলান্যাস অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক নীহাররঞ্জন দাস বলেন, ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য এই কমিউনিটি হল স্থানীয় মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। বিধায়কের এই উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়ে বিধায়কের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন স্থানীয় মানুষ ।



