প্রকাশিত বিধায়ক দীপায়ন চক্রবর্তীর উন্নয়নমূলক কাজকর্মের দলিল

Spread the news

বরাক তরঙ্গ, ১৬ মার্চ : শিলচরের বিধায়ক দীপায়ন চক্রবর্তী-র গত পাঁচ বছরের উন্নয়নমূলক কাজকর্মের বিবরণ তুলে ধরা দলিল হিসেবে “Progressive Assam, Progressive Silchar: Resolute & Unwavering” শীর্ষক একটি পুস্তিকা সোমবার বিকেলে সার্কিট হাউস রোডের এক বিবাহ ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।

পুস্তিকায় তাঁর বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্প, নাগরিক পরিষেবা, জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ, শিলচর শহরের উন্নয়নের অগ্রগতি এবং নাগরিকদের প্রত্যাশার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের গলায় উত্তরীয় পরিয়ে সম্মাননা জানানো হয় এবং মাঙ্গলিক পঞ্চপ্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে সভার সূচনা করা হয়। আয়োজিত প্রজ্ঞাবান নাগরিক সভায় শহরের বিশিষ্ট নাগরিক, বুদ্ধিজীবী এবং সিভিল সোসাইটির সদস্যরা শিলচরের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মূল্যবান মতামত ব্যক্ত করেন।

স্বাগত ভাষণে বিধায়ক দীপায়ন চক্রবর্তী বলেন, গত কয়েক বছরে শিলচরের অবকাঠামো ও জনসেবা ব্যবস্থার উন্নয়নে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি নাগরিক ও জনপ্রতিনিধিদের যৌথ সহযোগিতার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা-র নেতৃত্বের প্রশংসা করে বরাক উপত্যকার জন্য তহবিল বরাদ্দের বিষয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে নালা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, লংগাইখালে ড্রেন নির্মাণ (শীতের মধ্যেই সম্পন্ন করার লক্ষ্য), তারাপুর শিববাড়ি রোডের উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, ৪১৫টি মন্দির ও গুরুদ্বারা, বিভিন্ন ক্লাব, স্কুল, চিকিৎসা কেন্দ্র, জেলা গ্রন্থাগার অডিটোরিয়াম, এসএমসিএইচ ও ডিএসএ স্টেডিয়ামের উন্নয়নে তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকেও বহু মানুষকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জেলা সভাপতি রূপম সাহা বলেন, বিজেপি সরকারের এই পাঁচ বছরের উন্নয়ন কংগ্রেস আমলে কল্পনাতীত ছিল। রাজ্যসভা সাংসদ কনাদ পুরকায়স্থ বিধায়ক দীপায়নের দুর্নীতিমুক্ত উন্নয়নমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এপিডিসিএল-এর ডিরেক্টর নিত্যভূষণ দে, ড. বিভাস দেব, শিবব্রত দত্ত, অমিতাভ সিংহ এবং ড. ভাস্কর গুপ্ত প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রায় দুই হাজার মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *