শারদীয় উৎসবের আনন্দে পাথারকান্দির মানুষের পাশে মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল, একাধিক মণ্ডপের উদ্বোধন

Spread the news

মোহাম্মদ জনি, শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ১৬ অক্টোবর : শারদীয় দুর্গোৎসবের ষষ্ঠী সন্ধ্যায় নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র পাথারকান্দির বিভিন্ন দুর্গাপুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিলেন রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি, পার্বত্য এলাকা ও বরাক উপত্যকা উন্নয়ন বিভাগের মন্ত্রী তথা পাথারকান্দির বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু পাল। দেবী দুর্গার চরণে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করে তিনি এলাকার মানুষের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন।
শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত পাথারকান্দি বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রান্তে আয়োজিত একাধিক দুর্গাপুজো মণ্ডপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন মন্ত্রী। তাঁর উপস্থিতিকে ঘিরে পুজো উদ্যোক্তা, স্থানীয় বাসিন্দা ও ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে গিয়ে কৃষ্ণেন্দু পাল পুজো কমিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন এবং পুজোর আয়োজন সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি উপস্থিত ভক্ত ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করে উৎসবের আনন্দে শামিল হন তিনি। সুসজ্জিত মণ্ডপ, ঢাকের বাদ্যি এবং ভক্তদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে পাথারকান্দির বিভিন্ন এলাকায় এদিন উৎসবের আবহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

দুর্গোৎসবের এই পবিত্র মুহূর্তে দেবী দুর্গার কাছে প্রার্থনা জানিয়ে মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল কামনা করেন, মা দুর্গার আশীর্বাদে পাথারকান্দির প্রতিটি পরিবার যেন সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারে। এলাকার প্রতিটি মানুষের জীবনে নতুন আশা, সম্ভাবনা ও সাফল্য আসুক এবং সমাজে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হোক—এই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

উল্লেখ্য, দুর্গাপুজো শুধুমাত্র ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সামাজিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যের এক অনন্য উৎসব। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয় পুজোমণ্ডপগুলি। পাথারকান্দির বিভিন্ন প্রান্তে দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে যে আনন্দ ও সম্প্রীতির পরিবেশ গড়ে উঠেছে, তা এলাকার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উজ্জ্বল পরিচয় বহন করছে।

অশুভ শক্তির বিনাশ এবং শুভ শক্তির প্রতিষ্ঠার বার্তা বহনকারী শারদীয় দুর্গোৎসব সবার জীবনে শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বয়ে আনুক—এমনই প্রত্যাশা স্থানীয়দের। সব মিলিয়ে, ষষ্ঠীর সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পালের উপস্থিতি পাথারকান্দিতে উৎসবের আনন্দে বিশেষ মাত্রা যোগ করে। জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার মানুষের পাশে থেকে তাঁদের সঙ্গে শারদীয় আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি পাথারকান্দির সার্বিক উন্নতি ও মঙ্গল কামনায় তাঁর এই উদ্যোগ স্থানীয় মহলে গুরুত্ব পেয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *