৬ জন প্রশিক্ষণার্থীকে দ্বিতীয় ব্ল্যাক বেল্ট প্রদান মার্শাল আর্ট অ্যান্ড স্পোর্টস অ্যাকাডেমির

বরাক তরঙ্গ, ৩০ ডিসেম্বর : ইন্টারন্যাশনাল কমব্যাট
মার্শাল আর্ট অ্যান্ড স্পোর্টস অ্যাকাডেমির ৬ জন প্রশিক্ষণার্থীকে দ্বিতীয় ব্ল্যাক বেল্ট প্রদান করা হয়েছে। সোমবার অ্যাকাডেমির ভবনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে দুই জন মেয়ে ও চার জন ছেলে প্রশিক্ষণার্থী ছিলেন। এরা হলেন— দীপিকা নন্দী, মাহিসা এফ খান, সুব্রত সিনহা, পিঙ্কু নাথ, মানস দেব ও আফরোজ খান।কুংফুর গোল্ড মেডেলিস্ট এবং কমব্যাট মার্শাল আর্টের প্রতিষ্ঠাতা মণিপুরের নরেম বয়ান সিংহ তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ব্ল্যাক বেল্ট পরিয়ে হাতে সার্টিফিকেট ও মানপত্র তুলে দেন। এর আগে এই ছয় প্রশিক্ষণার্থী দলীয় ও এককভাবে মার্শাল আর্ট প্রদর্শনী করে সকলকে মুগ্ধ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই অ্যাকাডেমির চিফ ইনস্ট্রাক্টর রামজয় দাস প্রতিষ্ঠাতা নরেম সিংহকে ফুলের মালা, তোড়া ও হাতে মেমেন্টো তুলে সমাদরে বরণ করেন। অলরাউন্ড ব্ল্যাক বেল্ট জয়ী ছয় প্রশিক্ষণার্থীও তাঁকে ফুলের মালা দিয়ে স্বাগত জানান।নরেম বয়ান সিংহ বলেন, কুংফু শুধু শারীরিক ফিটনেস রক্ষা করে না, প্রয়োজনে আত্মরক্ষার কাজেও আসে, বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে। কাছাড়ে কুংফুর চর্চা রয়েছে বলে ভালো প্রতিভাবান ছাত্রছাত্রীও রয়েছেন। এদের ধরে রাখলে জেলাটি আরও উন্নতি করবে। তবে প্রশিক্ষণ নিতে হবে নিয়মিত এবং কঠোর পরিশ্রমে ব্রতী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, রামজয় দাস কাছাড়ে কুংফুর উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কাজ করে চলেছেন। তাঁর প্রশিক্ষণ নিখুঁত, তাই এই অ্যাকাডেমি থেকে জাতীয় স্তরে খেলোয়াড় পাঠানো সম্ভব। প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ব্ল্যাক বেল্ট পেয়ে আত্মতুষ্ট হওয়া উচিত নয়, কারণ এই পর্যায়ে ১০টি স্তর রয়েছে।

অ্যাকাডেমির চিফ কোচ রামজয় দাস অভিভাবকদের সন্তানদের কুংফু প্রশিক্ষণে ভর্তি করার আবেদন জানান। তিনি বলেন, রবিবার থেকে শুরু হওয়া এই পরীক্ষা সোমবার সমাপ্ত হয়েছে।অনুষ্ঠানের আগে এই ছয় প্রশিক্ষণার্থী দলীয় ও এককভাবে মার্শাল আর্ট প্রদর্শনী করে সকলকে মুগ্ধ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই অ্যাকাডেমির চিফ ইনস্ট্রাক্টর রামজয় দাস প্রতিষ্ঠাতা নরেম সিংহকে ফুলের মালা, তোড়া ও হাতে মেমেন্টো তুলে সমাদরে বরণ করেন। অলরাউন্ড ব্ল্যাক বেল্ট জয়ী ছয় প্রশিক্ষণার্থীও তাঁকে ফুলের মালা দিয়ে স্বাগত জানান। নরেম বয়ান সিংহ বলেন, “কুংফু শুধু শারীরিক ফিটনেস রক্ষা করে না, প্রয়োজনে আত্মরক্ষার কাজেও আসে, বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে। কাছাড়ে কুংফুর চর্চা রয়েছে বলে ভালো প্রতিভাবান ছাত্রছাত্রীও রয়েছেন। এদের ধরে রাখলে জেলাটি আরও উন্নতি করবে। তবে প্রশিক্ষণ নিতে হবে নিয়মিত এবং কঠোর পরিশ্রমে ব্রতী হতে হবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *