গ্যাসের বদলে ঘুঁটে, লাইনে দাঁড়ানো জনতার হাতে ঝুড়িভর্তি বিকল্প জ্বালানি তুলে দিলেন কাউন্সিলর

Spread the news

১৩ মার্চ : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে, ততই বাড়ছে জ্বালানি সংকট। ঘরে ঘরে গ্যাস সিলিন্ডার শেষ হলে সময়মতো পাওয়া নিয়ে উদ্বেগে আমজনতা। এতদিন ধরে যেমন ফোন কিংবা অনলাইনে সিলিন্ডার বুক করা যেত, এখন সেই সিস্টেম একেবারে ধসে পড়েছে। ফোনে বুক করা যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে গ্যাস অফিসের সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে গেরস্থকে।

এই পরিস্থিতিতে কার্যত প্রতিবাদ জানিয়েই জনতার হাতে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ঘুঁটে তুলে দিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর। শুক্রবার দুপুরে কামারহাটির (Kamarhati) ২৪ নং ওয়ার্ড এলাকায় দেখা গেল এই ছবি। কাউন্সিলের কাছ থেকে ঝুড়িভর্তি ঘুঁটে পেয়ে কিছুটা স্বস্তিতে লাইনে দাঁড়ানো মহিলারা। জানাচ্ছেন, গ্যাস না পেলে ঘুঁটে দিয়ে উনুন জ্বালিয়ে রান্না করবেন।

কার্যত প্রতিবাদ জানিয়েই জনতার হাতে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ঘুঁটে তুলে দিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর। শুক্রবার দুপুরে কামারহাটির ২৪ নং ওয়ার্ড এলাকায় দেখা গেল এই ছবি। কাউন্সিলের কাছ থেকে ঝুড়িভর্তি ঘুঁটে পেয়ে কিছুটা স্বস্তিতে লাইনে দাঁড়ানো মহিলারা।

রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন গ্যাস অফিসের সামনে ছবিটা একই। সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে মানুষ। কোথাও কোথাও আগের রাত থেকেই শুরু হয়েছে লাইনে দাঁড়ানো। লক্ষ্য একটাই, নিজের সিলিন্ডার পাওয়াটা নিশ্চিত করা। কামারহাটি (Kamarhati) পৌরসভার ২৪ নং ওয়ার্ডেও ছবিটা একই রকম। শুক্রবার দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো জনতার সুরাহা করতে এগিয়ে এলেন স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিল বিমল সাহা। গ্যাস অফিসের সামনে ঝুড়িভর্তি ঘুঁটে নিয়ে প্রতিবাদে শামিল হন। এরপর লাইনে দাঁড়ানো জনতার হাতে সেই ঝুড়িভর্তি ঘুঁটে তুলে দিলেন তাঁরা।

এনিয়ে বিমল সাহা বলেন, ”গ্যাসের আকাল। সকাল থেকে লোকজন লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে। গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। তাই আমরা বিকল্প হিসেবে ঘুঁটে তুলে দিচ্ছি সকলের হাতে। আগেকার দিনে উনুনে এই ঘুঁটে, কাঠকয়লা দিয়ে রান্না করা হতো। মোদি সরকার সেই আগের দুর্দিন ফিরিয়ে আনছে। ইচ্ছা করে এই পরিস্থিতি তৈরি করছে। আমরা তাই ঘুঁটে বিলি করলাম। এটা প্রতীকী প্রতিবাদ।” লাইনে অপেক্ষারত স্থানীয় বাসিন্দা শিপ্রা দে বলছেন, ”আমার মনে হয়, উনি ভালোই করেছেন। আমি তো ১৫ দিন ধরে গ্যাস পাচ্ছি না। যদি নিতান্ত গ্যাস না পাওয়া যায়, তাহলে অন্তত এই ঘুঁটে দিয়ে উনুন জ্বালিয়ে রান্না করব। খেতে তো হবে কিছু।” কাউন্সিলরের এই উদ্যোগ দেখে অনেকেই বলছেন, জোড়া উদ্দেশে কাজ করছেন তিনি। গ্যাস সংকট নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং জনতাকে বিকল্প জ্বালানি দেওয়া – দুটোই হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *