পাথারকান্দির লঙ্গাই চা-বাগানে ডিজিটাল পাট্টা বিতরণ

Spread the news

মোহাম্মদ জনি, পাথারকান্দি। 
বরাক তরঙ্গ, ১৪ মার্চ : দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পালের নির্বাচন কেন্দ্র পাথারকান্দি চা-বাগানের শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বরাক সফরের দিন বাস্তব রূপ পেল। এই  ইতিহাসিক দিন শনিবার পাথারকান্দি বিধানসভার অন্তর্গত লঙ্গাই চা-বাগানে সরকারি উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো ভূমি বন্দোবস্তের ডিজিটাল পাট্টা বিতরণ কর্মসূচি। এদিন এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাগানের ২০৭ জন শ্রমিকের হাতে তাদের বসতভিটার ডিজিটাল পট্টা তুলে দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীভূমি জেলা পরিষদের সভাপতি অনিল কুমার ত্রিপাঠি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পাথারকান্দি চক্র আধিকারিক অধিতি নুনিসা, প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিক, বাগান কর্তৃপক্ষ এবং এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনিল কুমার ত্রিপাঠি বলেন, আজকের দিনটি চা শ্রমিক পরিবারগুলোর জন্য এক ঐতিহাসিক দিন। বহু বছর ধরে যারা এই বাগানের জমিতে বসবাস করছেন কিন্তু জমির ওপর আইনি মালিকানা ছিল না, আজ থেকে তারা নিজেদের ভিটেমাটির বৈধ অধিকার লাভ করলেন।তিনি আরও বলেন, সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রমিক পরিবারগুলোর সামাজিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত হবে। ডিজিটাল পট্টা থাকার ফলে শ্রমিকরা এখন থেকে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সহজেই গ্রহণ করতে পারবেন। বিশেষ করে গৃহনির্মাণ প্রকল্প, ব্যাংক ঋণ এবং অন্যান্য আর্থিক সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত সহায়ক হবে। প্রথম পর্যায়ে লঙ্গাই চা বাগানের ২০৭ জন শ্রমিকের হাতে এই ডিজিটাল পাট্টা তুলে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পর্যায়ক্রমে বাগানের অন্যান্য যোগ্য শ্রমিক পরিবারগুলোকেও এই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। ডিজিটাল পট্টা পাওয়ার ফলে শ্রমিকরা তাদের বসতভিটার স্থায়ী মালিকানা লাভ করবেন। জমির সীমানা ও মালিকানা সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত থাকবে, যা ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের বিরোধ বা জটিলতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এমর্মে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অনিল কুমার ত্রিপাঠি বলেন, আজকের দিনটি চা শ্রমিক পরিবারগুলোর জন্য এক ঐতিহাসিক দিন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে যারা বাগানের জমিতে বসবাস করছেন, বিজেপি সরকারের বদন্যতায় আজ থেকে তারা নিজেদের জমির বৈধ মালিকানা পেলেন। প্রথম পর্যায়ে লঙ্গাই চা-বাগানের মোট ২০৭ জন শ্রমিকের হাতে এই ডিজিটাল পট্টা তুলে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পর্যায়ক্রমে বাগানের অন্যান্য যোগ্য শ্রমিক পরিবারগুলোকেও এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। ডিজিটাল পট্টা পাওয়ার ফলে শ্রমিকরা এখন থেকে তাদের জমির স্থায়ী মালিকানা পাবেন। পাশাপাশি সরকারি গৃহনির্মাণ প্রকল্প, ব্যাঙ্ক ঋণ এবং অন্যান্য উন্নয়নমূলক সুবিধা গ্রহণ করাও হবে অনেক সহজ।এদিকে শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় লঙ্গাই চা-বাগানের শ্রমিক পরিবারগুলোর মধ্যে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দের আবহ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *