জনসংযোগ, শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ৩০ জানুয়ারি : প্রত্যেক শিশুর নিরাপত্তাই সোনালী অসমের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গঠন করে,এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে শুক্রবার শ্রীভূমির নীলমণি উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে “সুরক্ষিত শৈশব, সোনালী অসম” শীর্ষক ৯০ দিনের রাজ্যব্যাপী শিশু সুরক্ষা অভিযানের অংশ হিসেবে একটি বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও জেলাভিত্তিক তাৎক্ষণিক বক্তৃতা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিট (DCPU) এবং শ্রীভূমি জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিশুদের সুরক্ষা, অধিকার এবং তাদের নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত উৎসাহের সাথে অংশগ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা শিশুদের উপর হওয়া যে কোন ধরণের শোষণ বা নির্যাতন রোধে সচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। অুনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করে সহকারি আয়ুক্ত তথা ভারপ্রাপ্ত ডিস্ট্রিক্ট চাইল্ড প্রটেকশন অফিসার অন্বেষা খেরসা বলেন যে একটি সুস্থ ও সবল সমাজ গঠনে শিশুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা অপরিহার্য। তাই আইনের মাধ্যমে শিশুদের নিরাপত্তা প্রদানে জেলা প্রশাসন সর্বদা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। সচেতনতামূলক আলোচনার পাশাপাশি আয়োজিত তাৎক্ষণিক বক্তৃতা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শিশু সুরক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার ওপর তাদের নিজস্ব মতামত ও চিন্তাভাবনা তুলে ধরে। উক্ত কর্মসূচিতে জেলা প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকবৃন্দ, জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিটের সদস্যগণ, নীলমণি উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রী উপস্থিত ছিলেন। এদিনের কার্যসূচিতে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তৎক্ষণিক বক্তৃতা প্রতিযোগিতার দুইটা গ্রুপে হয়েছে। ক্লাস নাইন এবং ক্লাস সেভেন এবং এইট এর ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হয়। গ্রুপ এ ভিকমচাঁদ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী পূরবী দত্ত প্রথম, দ্বিতীয় এমএমএমসি উচ্চমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী দৃষ্টি পাল ও তৃতীয় হয় বিপিন পাল উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র অভিজিৎ দাস। পাশাপাশি, গ্রুপ ‘বি’ তে প্রথম হয় সরকারি উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র চিরঞ্জিত দাস, দ্বিতীয় সরকারি উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র পুলক রায় ও তৃতীয় হয়েছে শ্যামসুন্দর বিদ্যামন্দির হাই স্কুলের ছাত্রী স্নিগ্ধা দাস।



