বরাক তরঙ্গ, ২০ জানুয়ারি : শিলচরের ইলেকট্রিক অটো চালকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তথাকথিত কয়েকটি সংগঠনের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক মেম্বারশিপ গ্রহণে বাধ্য করা, হুমকি প্রদান এবং বিভ্রান্তি ছড়ানোর গুরুতর অভিযোগ তুলেছে অল কাছাড় ইলেকট্রিক অটো ওনার অ্য়ান্ড ড্রাইভার অ্যাসোসিয়েশন। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের অবিলম্বে হস্তক্ষেপের দাবিতে অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, কয়েকদিন ধরে কিছু তথাকথিত সংগঠন শিলচরের বিভিন্ন এলাকায় ইলেকট্রিক অটো দাঁড় করিয়ে চালকদের উপর জোর করে মেম্বারশিপ নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট সংগঠনের লোগো বা স্টিকার গাড়িতে না লাগালে শহরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না—এমন হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। এছাড়াও অ্যাসোসিয়েশনের সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ভয় দেখিয়ে বহু সদস্যকে ওই সংগঠনের আওতায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছেন অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা।
তাঁদের অভিযোগ, অল কাছাড় ইলেকট্রিক অটো ওনার অ্য়ান্ড ড্রাইভার অ্যাসোসিয়েশনের ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই এই পরিকল্পিত অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এ বিষয়ে গত ১২ জানুয়ারি স্থানীয় থানায় তথাকথিত সংগঠনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। তবে সুবিচার না পাওয়ায় পরবর্তীতে কাছাড় জেলার পুলিশ সুপারের নিকট লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। চালকদের মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভাজন ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে—এই পরিস্থিতির দায়িত্ব কে নেবে? তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে এ ধরনের কার্যকলাপ অব্যাহত থাকলে শহরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে।
অল কাছাড় ইলেকট্রিক অটো ওনার অ্য়ান্ড ড্রাইভার অ্যাসোসিয়েশন প্রশাসনের কাছে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো আবেদন জানিয়েছে। এদিন উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তাহের আহমেদ মজুমদার, সম্পাদক গোপাল বনিক, সহ-সভাপতি চন্দু দাস, যুগ্ম সম্পাদক তাইবুর রহমান মজুমদারসহ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিরণ দাস, স্বপন দাস, ফয়াজ আহমেদ, সুজিত কৃষ্ণ নাথ, নিজাম উদ্দিন মজুমদার, অর্জুন মোদক, দিশান আহমদ প্রমুখ।



