২৩ ফেব্রুয়ারি: ঝাড়খণ্ডের রাঁচি থেকে দিল্লিগামী একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স মাঝ আকাশে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চাতরা জেলার জঙ্গলঘেরা পাহাড়ি এলাকায় ভেঙে পড়েছে। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা সাত আরোহীর মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।
বিমানে একজন রোগী, একজন চিকিৎসক, একজন প্যারামেডিক, দু’জন অ্যাটেনডেন্ট এবং দুই পাইলট ছিলেন। মৃত ব্যক্তির নাম সঞ্জয় কুমার (৪১)। তিনি গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাঁচি থেকে দিল্লি যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন বাকি ছয়জন। তাঁদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে প্রশাসন।
জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে রাঁচি বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে উড়ান দেয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি। উড্ডয়নের পর বিমানটি কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি)-এর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। কিন্তু সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিট নাগাদ বারাণসী থেকে প্রায় ১০০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পূর্বে থাকা অবস্থায় কলকাতার রাডার ও রেডিও যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিমানটির রাত ১০টা নাগাদ দিল্লিতে পৌঁছানোর কথা ছিল।
দুর্ঘটনার খবর পেয়েই চাতরা জেলা প্রশাসনের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দুর্গম ও জঙ্গলাবৃত এলাকা হওয়ায় উদ্ধারকাজে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের অধীনস্থ Aircraft Accident Investigation Bureau (AAIB)-এর একটি বিশেষ তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি প্রতিকূল আবহাওয়া—দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হবে বলে জানানো



