বরাক তরঙ্গ, ২৭ জানুয়ারি : ধলাইয়ের বিধায়ক নীহার রঞ্জন দাসের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সুদূর বেঙ্গালোর থেকে আফতাব উদ্দিন নামের এক যুবকের মরদেহ সোমবার এসে পৌঁছল তার নিজ বাড়িতে। ভাগাবাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন জয়ধনপুর গ্রামের রমিজ উদ্দিনের বছর ২৩ এর ছেলে আফতাব উদ্দিন কর্মসূত্রে থাকতেন বেঙ্গালুরুতে। কিন্তু রহস্যজনক ভাবে গত শুক্রবার আফতাব উদ্দিনের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। আফতাবের সঙ্গী এক রুমমেট এসে সেখানকার তাদের ভাড়াটে ঘরে এসে দেখেন ঘরের দরজা ভিতর দিক থেকে বন্ধ। অনেক ডাকাডাকির পর সে দরজা না খুলায় আফতাব উদ্দিনের সহপাঠী বন্ধুটি ঘরের জানালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করতেই আফতাবের ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পান। পরে বিষয়টি নিয়ে ব্যাঙ্গালোর পুলিশকে অবগত করানো হয় এবং পুলিশের তৎপরতায় ময়নাতদন্তের কাজ সম্পন্ন হয়।
পরবর্তীতে পরিবারের লোকজন বিজেপির এক বুথ সভাপতির মাধ্যমে ধলাইর বিধায়ক নীহাররঞ্জন দাসের সাথে যোগাযোগ করেন এবং মৃতদেহ বাড়িতে এনে দেওয়ার অনুরোধ করেন। বিধায়ক নীহার বিষয়টি অতি গুরুত্ব সহকারে নেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে নিহত আফতাব উদ্দিনের মরদেহ সোমবার তাঁর ভাগাবাজার জয়ধনপুরের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
এদিকে, বিধায়ক নীহাররঞ্জন দাসের এহেন উদ্যোগের প্রশংসায় পঞ্চমূখ প্রয়াত আফতাব উদ্দিনের পরিবার পরিজন সহ এলাকার জনসাধারণ, তারা এধরণের মানবিক কাজে এগিয়ে আসার জন্য বিধায়কের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্বাধীনতার পর ধলাই সমষ্টির মানুষ এমন একজন বিধায়ক পেয়েছেন যিনি মানুষের আনন্দের মুহুর্তে সামিল হতে না পারলেও দুঃখের সময় অন্তত এগিয়ে আসেন বলে অনেককে মন্তব্য করতে শোনা যাচ্ছে। বিধায়ক নীহার রঞ্জন দাসের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘজীবন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করে স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা বলছেন তারা সর্বাবস্থায় বিধায়কের পাশে থাকবেন। বিধায়ক নীহাররঞ্জন দাসের মধ্যে উচ্চ নীচ, ধনী গরীব, হিন্দু মুসলিম বলে কোন ভেদাভেদ নেই বরং তিনি সব ধর্মের মানুষকে সমান দৃষ্টিতে দেখেন বলে মন্তব্য করেছেন অনেকেই।



