বারইগ্রামে আসাম বিশ্ববিদ্যালয় ও সায়েন্স ফোরামের নৈশ আকাশ পর্যবেক্ষণ শিবির

Spread the news

বরাক তরঙ্গ, ২০ ফেব্রুয়ারি : মহাকাশ বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করতে ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বৈজ্ঞানিক মানসিকতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করল আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের আয়ুকা সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট। বৃহস্পতিবার শ্রীভূমি জেলার বারইগ্রামের সায়েন্স ফোরামের সহযোগিতায় শিশু বিদ্যাপীঠ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে নৈশ আকাশ পর্যবেক্ষণ শিবির আয়োজিত হয়। এতে স্থানীয় ১০টি স্কুলের ৪০০ জন শিক্ষার্থী সহ প্রায় পাঁচ শতাধিক লোক উপস্থিত ছিলেন।

জেএমআই স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক দিলীপ শর্মা চৌধুরীর পৌরোহিত্যে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ছিলেন ড. মৌমিতা নাথ, ড. ভাস্কর গোস্বামী, গবেষক নমব্রম নিরোদা দেবী, ড. প্রীতি ভাজন বাকতি, ড. মিঠুন নন্দী, ড. অবিনাশ শুক্লবৈদ্য প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন সুমন্ত দে এবং পুরো কর্মসূচির সমন্বয় করেন নিরূপম শর্মা চৌধুরী। এদিন ছয় জন কিংবদন্তি জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানীর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর সায়েন্স ফোরামের পক্ষ থেকে আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দল এবং স্থানীয় বিশিষ্ট নাগরিকদের সংবর্ধনা জানানো হয়।

শিবিরের মূল আকর্ষণ ছিল আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান তথা আইকার্ড-এর কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক হিমাদ্রি শেখর দাসের নেতৃত্বে আকাশ পর্যবেক্ষণ। অধ্যাপক দাস ও তাঁর দল ৪ ইঞ্চি ও ৮ ইঞ্চির উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টেলিস্কোপের সাহায্যে উপস্থিত ছাত্র-জনতাকে মহাকাশের বিস্ময় দেখান। অংশগ্রহণকারীরা টেলিস্কোপের মাধ্যমে চাঁদের গহ্বর, শনির বলয় এবং বৃহস্পতি ও তার চারটি গ্যালিলিয়ান উপগ্রহ দেখার সুযোগ পান। পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি অধ্যাপক দাসের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের এক মতবিনিময় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন করে জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে তাদের কৌতুহল মেটায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *