হকির ম্যাচে আচমকাই এলোপাথাড়ি গুলি, হত তিন

Spread the news

১৭ ফেব্রুয়ারি : স্টেডিয়ামে আইস হকির ম্যাচ চলছিল। টানটান উত্তেজনা। আচমকাই এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন এক যুবক। মঙ্গলবার ভোররাতে আমেরিকার রোড আইল্যান্ডের পটাকেট শহরের ডেনিস এম লিঞ্চ অ্যারেনার এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত আরও তিন জন। গুলি-কাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনায় আততায়ী বন্দুকবাজেরও মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কভান্ট্রি হাইস্কুলের সঙ্গে ব্ল্যাকস্টোন ভ্যালি স্কুলের আইস হকি ম্যাচ চলছিল। স্টেডিয়ামে দুই স্কুলের ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারাই উপস্থিত ছিলেন। আচমকাই মাঠের পাশ থেকে গুলি চালাতে শুরু করে এক যুবক। রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন ৬ জন। আতঙ্কে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। স্টেডিয়াম ছেড়ে পালাতে শুরু করেন অনেকে। বন্ধ হয়ে যায় ম্যাচও।

স্টেডিয়ামের বাইরে টহল দিচ্ছিল পুলিশ। গুলির শব্দে ছুটে আসেন তাঁরা। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিন জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। বাকিদের চিকিৎসা চলছে। মৃতদের মধ্যে আততায়ী বন্দুকবাজও রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে কী ভাবে তাঁর মৃত্যু হলো তা এখনও জানা যায়নি। স্টেডিয়ামে পাল্টা কেউ গুলি চালিয়েছিল কিনা, জানা যায়নি তাও। আহত ও নিহতদের পরিচয়ও প্রকাশ করেনি পুলিশ।

ঘটনার পরে গোটা স্টেডিয়াম ঘিরে ফেলেছে পুলিশ। আশপাশের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এলাকায় মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। আকাশে চক্কর কাটছে টহলদারি হেলিকপ্টারও। ঘটনার পরেই দু’টি স্কুলের পড়ুয়াদেরই জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। শেষে তাঁদের বাসে করে স্কুলে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

হামলার কথা নিশ্চিত করেছেন পটাকেট পুলিশের প্রধান টিনা গঞ্জালভেস। এই ঘটনাকে টার্গেট কিলিং জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে টার্গেট কিলিং বলেই মনে হচ্ছে। সম্ভবত পারিবারিক বিবাদের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে।’ তবে নিহতরা স্কুলের ছাত্রছাত্রী কিনা, সেই নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি। শুধু জানিয়েছেন, প্রত্যেকেই প্রাপ্তবয়স্ক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *