ঋষি অরবিন্দের প্রদর্শিত  জীবনদর্শনের আধারে সচেতনতা বিশ্ববিদ্যালয়ে

পিএনসি, শিলচর।
বরাক তরঙ্গ, ৫ ফেব্রুয়ারি : বৃহস্পতিবার, আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগে ঋষি অরবিন্দের প্রদর্শিত  জীবনদর্শনের আধারে একটি সচেতনতা মূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন, সংস্কৃত বিভাগের অধ্যক্ষ শান্তি পোখরেল, বিশাখাপত্তনমের অরবিন্দ কেন্দ্রের ট্রাস্টি  লিপিকা রথ এবং ইগার টু ফোর্জ অ্যাহেড (ভারত)-এর ট্রাস্টি রাজেশকুমার সাহু। এছাড়াও সংস্কৃত বিভাগের ছাত্র ছাত্রী, গবেষক গবেষিকা গণ উপস্থিত ছিলেন। মণিপুরী, হিন্দী, বাংলা, আইন ইত্যাদি বিভাগ থেকেও ছাত্রছাত্রীরা এই কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছিলেন। বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

সংস্কৃত বিভাগের অধ্যক্ষ শান্তি পোখরেল অতিথিদের উত্তরীয় প্রদানের মাধ্যমে বরণ করেন এবং স্বাগত বক্তব্য উপস্থাপন করেন। লিপিকা রথ অরবিন্দের শৈশব জীবন, পরিবার, অধ্যাপনা ইত্যাদির সঙ্গে পরিচয় করান এবং অরবিন্দ ঘোষ থেকে ঋষি অরবিন্দ হয়ে ওঠার যাত্রাপথ আলোচনা করেন। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র থেকে অরবিন্দ ঘোষ হয়ে ওঠেন মহান বিপ্লবী। আর কারামুক্ত হবার পর আধ্যাত্মিকতার পথ অবলম্বন করে পণ্ডিচেরীতে শ্রীমার সাথে গড়ে তোলেন আশ্রম। অরবিন্দের জীবনদর্শন আজকের যুবসমাজের পরম পাথেয়। লিপিকা রথ সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যের অপরিসীম মহত্ত্ব নিয়েও বলেন। রাজেশ কুমার সাহু যুবসমাজের জাগরণের জন্য অরবিন্দের জীবনদর্শনের বিপুল প্রাসঙ্গিকতা বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। একই সঙ্গে সংস্কৃত ভাষা শেখা ও জানার প্রতিও তিনি গুরুত্ব দেন। অরবিন্দের মতাদর্শ কীভাবে
নতুন সমাজ গঠনে এবং সর্বস্তরের মানুষজনকে উদ্বুদ্ধ করে, সেই বিষয়টি তিনি তুলে ধরেন। ঋষি অরবিন্দের পথ অবলম্বনের মাধ্যমেই ভারতবর্ষের উন্নতি সাধন সম্ভব। যুবসমাজের অগ্রগতির জন্য আয়োজিত এই কার্যক্রমটি কল্যাণমন্ত্র পাঠের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *