৩১ জানুয়ারি : মাঠ বিতর্ক থেকে শুরু করে রাস্তা অবরোধ—রাজনীতি বনাম প্রশাসনের লড়াইয়ে তপ্ত মালদা। গত ২৪ জানুয়ারি রথবাড়ি মোড় অবরোধ করে সভা করার অভিযোগে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এবং শতরূপ ঘোষ সহ ৩৪ জন বাম নেতার বিরুদ্ধে সুয়োমোটো মামলা দায়ের করল ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। অন্যদিকে, ডিএম ঘেরাও অভিযানে সরকারি পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগে কংগ্রেস নেতা ইশা খান চৌধুরী ও মৌসম বেনজির নূরদের বিরুদ্ধেও মামলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
সিপিএমের অভিযোগ, হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও জেলা প্রশাসন তাদের সভার জন্য কোনো মাঠ দেয়নি। শেষমেশ রথবাড়ি মোড়ে সভা করায় পুলিশ এই মামলা করেছে। এমনকি মিছিলে থাকা ২৪টি মোটরবাইকের বিরুদ্ধেও মামলা দেওয়া হয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে মামলার তালিকায় এমন কিছু বাম নেতার নাম থাকা নিয়ে, যাঁরা ওইদিন সভাতেই উপস্থিত ছিলেন না। আরএসপি জেলা সম্পাদক সর্বানন্দ পান্ডে এবং সিপিআই নেতা নিখিল সাহার নাম তালিকায় দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে বামফ্রন্ট। তাঁদের দাবি, তৃণমূলের অঙ্গুলিহেলনে পুলিশ এই মিথ্যা মামলা সাজিয়েছে। এর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সিপিএম জেলা সম্পাদক কৌশিক মিশ্র।
শুক্রবার মালদা প্রেস কর্নারে সাংবাদিক বৈঠক করে জেলাশাসক প্রীতি গোয়েলের বিরুদ্ধে তীব্র পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন কংগ্রেস নেতা ইশা খান চৌধুরী। তাঁর দাবি, জেলাশাসক তৃণমূল নেতাদের জন্য সময় দিলেও বিরোধী জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করতে চান না। ডিএম ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের মামলার সম্ভাবনা নিয়ে ইশা জানান, কংগ্রেস আন্দোলন করতে ভয় পায় না।



