কল্যাণী হাসপাতালে অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ও সাকশন মেশিন দান জিসি কলেজের ১৯৭৯ সালের পিউ (বিজ্ঞান) প্রাক্তন ছাত্রদের

দীপ দেব, শিলচর।
বরাক তরঙ্গ, ২২ জানুয়ারি : গুরুচরণ কলেজের ১৯৭৯ সালের প্রাক্তন ছাত্ররা শ্রীকোণা স্থিত ঐতিহ্যবাহী সুন্দরী মোহন সেবা ভবনসহ কল্যাণী হাসপাতালে দুটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর করেন। এর মধ্যে রয়েছে ৫ লিটারের পারফেক্সা অক্সিজেন কনসেনট্রেটর মেশিন এবং ওটিকা ডাবল বটল সাকশন ইলেকট্রিক মেশিন। এই মেশিনগুলো এই অঞ্চলের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ কুমারকান্তি দাসের (লক্ষ্মণ) হাতে তুলে দেওয়া হয়। কয়েকদিন আগে এই প্রাক্তন ছাত্ররা হাসপাতালে কয়েকটি শীতকম্বলও দান করেছিলেন।

বৃহস্পতিবারের অনুষ্ঠানে ডাঃ কুমারকান্তি দাস বলেন, “এই দুটি চিকিৎসা সরঞ্জাম হাসপাতালের সেবায় বিশেষ অবদান রাখবে। উপস্থিত গুরুচরণ কলেজের ১৯৭৯ সালের প্রাক্তন ছাত্রদের আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।” তিনি আরও যোগ করেন, এই ধরনের সামাজিক উদ্যোগ অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও শক্তিশালী করবে।অনুষ্ঠানে প্রাক্তনী ছাত্র ডা.অনুপ কুমার দাস তালুকদার উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, “ঐতিহ্যবাহী গুরুচরণ কলেজের ১৯৭৯  সালের (বিজ্ঞান)প্রাক্তন ছাত্ররা যৌথভাবে সামাজিক কল্যাণমূলক কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। আগামী দিনগুলোতেও তারা এভাবে সমাজসেবায় যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাবেন।” অনুষ্ঠানের এক বিশেষ মুহূর্তে গুরুচরণ কলেজের ১৯৭৯ সালের প্রাক্তন ছাত্র চন্দন চক্রবর্তী নিজ হাতে অঙ্কন করা ডাঃ কুমারকান্তি দাসের (লক্ষ্মণ) ছবি তাঁর হাতে তুলে দেন। এই ছবিটি সকলের প্রশংসা লাভ করে।অনুষ্ঠানে গুরুচরণ কলেজের প্রাক্তন ছাত্রদের মধ্যে দিব্যজ্যোতি পাল, অভিজিৎ রায়, সুপ্রদীপ দত্ত রায়, সুমিত ভূঁইয়া, অমলেন্দু দে উপস্থিত ছিলেন। কল্যাণী হাসপাতালের পক্ষ থেকে রূপক চক্রবর্তী, রাই আচার্য, মুক্তা মৈত্র, অনুপ ভট্টাচার্য প্রমুখও অংশগ্রহণ করেন। এই উদ্যোগ অঞ্চলের সামাজিক সচেতনতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *