পিএনসি, শিলচর।
বরাক তরঙ্গ, ২২ জানুয়ারি : ৬১’র বাংলা ভাষা আন্দোলনের সর্বাধিনায়ক পরিতোষ পাল চৌধুরীর দশম প্রয়াণ দিবস শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করল পরিতোষ পাল চৌধুরী স্মৃতি পর্ষদ। বৃহস্পতিবার শিলচর সুভাষ নগরে ৬১এর বাংলা ভাষা আন্দোলনের সর্বাধিনায়ক পরিতোষ পাল চৌধুরীর দশম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সভায় ৬১এর বাংলা ভাষা আন্দোলনের সর্বাধিনায়ক পরিতোষ পাল চৌধুরীর স্মৃতি রক্ষার্থে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। এদিন সভার শুরুতে বাংলা ভাষা আন্দোলনের সর্বাধিনায়ক পরিতোষ পাল চৌধুরীর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়। উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী বারীন্দ্র দাস।
এদিন সভার শুরুতে এদিন পর্ষদের সভাপতি তথা বিশিষ্ট সাংবাদিক হারাণ দে-র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব পাল চৌধুরী। তিনি ৬১এর বাংলা ভাষা আন্দোলনের সর্বাধিনায়ক পরিতোষ পাল চৌধুরীর কর্মজীবন এবং তাঁর অর্ধ সমাপ্ত কিছু কাজকর্ম বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বিডিএফের মুখ্য আহ্বায় প্রদীপ দত্তরায় বলেন, বাংলা ভাষা আন্দোলনের সর্বাধিনায়ক পরিতোষ পাল চৌধুরীর স্মৃতি রক্ষার্থে তাঁর একটি মর্মর মূর্তি স্থাপন, বই প্রকাশ এবং পরিতোষ পাল চৌধুরীর নামে একটি সড়কের নামাকরণে গুরুত্ব দেন তিনি। এছাড়া স্মৃতিচারণ করেন পর্ষদের সহ সম্পাদক গৌতম তালুকদার, অগ্রণী ক্লাবের সভাপতি সুবীর ভট্টাচার্য, সম্পাদক শংকর দাস, পর্ষদের অন্যতম কর্মকর্তা পম্পা পাল চৌধুরী, মিতা দাস পুরকায়স্থ, প্রদীপ দাস, প্রণবকান্তি দাস, সাংবাদিক বিশ্বজিৎ আচার্য, রাজু চৌধুরী, রানু দত্ত, বিশ্বজিৎ রায়, আশিষ দাস প্রমুখ। পর্ষদের পক্ষ থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অন্তর্ধান রহস্য উদঘাটন করা, শিলচর রেল স্টেশনের নামাকরন ভাষা শহিদ স্টেশন করা এবং পরিতোষ পাল চৌধুরীর অর্ধ সমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নের দাবি সহ শীঘ্রই পরিতোষ পাল চৌধুরীর কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে একটি স্মৃতি গ্রন্থ প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২৩ জানুয়ারি পরিতোষ পাল চৌধুরী মারা যান। বরাক উপত্যকার ১৯৬১ সালের বাংলা ভাষা আন্দোলনের সর্বাধিনায়ক, নেতাজি গবেষক, বহুগ্রন্থ প্রণেতা, প্রথিতযশা লেখক-সাংবাদিক পরিতোষ পাল চৌধুরীর প্রয়াণের পর পরিতোষ পাল চৌধুরী স্মৃতি পর্ষদ গঠিত হয়েছে। পর্ষদ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে।



