২২ অক্টোবর : দুর্গাপুজো ও নবরাত্রি শেষ হতেই ফের আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু করল বিরোধী শিবির। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আগামী দিনে আন্দোলন কোন পথে এগোবে, তা ঠিক করতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভার্চুয়াল বৈঠকে বসতে চলেছেন ইন্ডিয়া জোটের নেতা-নেত্রীরা। এই বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
পুজোর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR বাতিল এবং ভোটচুরির অভিযোগ তুলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সরব হয়েছিল বিরোধীরা। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ বিরোধী নেতাদের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছিল রাজধানী দিল্লি। সেই সময় রাহুল গান্ধী স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
তবে দুর্গাপুজো ও নবরাত্রির কারণে আন্দোলনের গতি কিছুটা কমে যায়। বিরোধী শিবিরের একাংশও সাময়িকভাবে কর্মসূচি স্থগিত রাখার কথা জানিয়েছিল। উৎসবের মরশুম শেষ হতেই ফের আন্দোলন জোরদার করার পরিকল্পনা নিচ্ছে বিরোধীরা। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবারের ভার্চুয়াল বৈঠকে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ইন্ডিয়া জোটের একাধিক শীর্ষ নেতার উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী দিনের আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি এবং প্রতিবাদ কর্মসূচিকে আরও জোরদার করাই হবে বৈঠকের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

ইতিমধ্যেই আগামী ১ নভেম্বর ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিরোধীরা। ওই দিন দিল্লির রামলীলা ময়দান থেকে নির্বাচন কমিশনের দপ্তর পর্যন্ত মিছিল করার পরিকল্পনা রয়েছে ইন্ডিয়া জোটের সাংসদদের। তার আগেই আন্দোলনের ঝাঁজ বাড়াতে চাইছেন বিরোধী নেতারা। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে এই কর্মসূচি-সহ পরবর্তী আন্দোলনের কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।



