১৬ ডিসেম্বর : বর্তমানে জর্ডান সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জর্ডান সফর শেষে মোদি ইথিওপিয়া ও ওমান সফর করবেন। গত ৩৭ বছরে এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী পূর্ণাঙ্গ দ্বিপাক্ষিক সফরে জর্ডানে এলেন। আম্মানের বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান জর্ডানের প্রধানমন্ত্রী জাফর হাসান।
সোমবার জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহর সঙ্গে মোদির গাজা পরিস্থিতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে বৈঠক হয়েছে। তবে আলোচনায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে সন্ত্রাসবাদ দমনের বিষয়টি।
বৈঠক শেষে ভারত ও জর্ডানের মধ্যে পাঁচটি সমঝোতা চুক্তি সই হয়েছে। এই চুক্তির বিষয়গুলি ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আম্মানে হুসেইনিয়া প্রাসাদে রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহর সঙ্গে একান্ত আলোচনা সারেন মোদি। এরপরে প্রতিনিধি পর্যায়ের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
ওই বৈঠকেই বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা দমন, কৃষি ও সার, পর্যটন এবং প্রযুক্তি সহযোগিতার মতো একাধিক বিষয় উঠে আসে।
মোদি বলেন, ভারত ও জর্ডান বিভিন্ন ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করে দু’দেশের সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে আগ্রহী। ডিজিটাল প্রযুক্তি, পরিকাঠামো, সার শিল্প ও মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে সহযোগিতা জোরদার করা হবে।
ভারত জর্ডানের তৃতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ বর্তমানে ২.৮ বিলিয়ন ডলার। যা আগামী পাঁচ বছরে ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছনোর প্রস্তাব দিয়েছেন মোদি।
সন্ত্রাসবাদ দমনে রাজা আবদুল্লাহর ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। একই সঙ্গে গাজা পরিস্থিতিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জর্ডানের সক্রিয় ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন তিনি।
দুই দেশের মধ্যে যে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে সেগুলি হল। ১.নবায়নযোগ্য শক্তিতে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ২.জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা ৩.পেট্রা ও এলোরার মধ্যে চুক্তি ৪.সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি ৫.বৃহৎ জনসংখ্যার জন্য ডিজিটাল সমাধান ভাগাভাগি করার উদ্যোগ
খবর : উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল।



