২৩ আগস্ট : সাতসকালেই কেঁপে উঠল জাপান। আজ রবিবার ভোরে শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল টোকিও-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। এই ঘটনায় মোট ৩০ জন আহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি এখনও পর্যন্ত।
জাপানের মেটিওরোলজিক্যাল এজেন্সি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির প্রাথমিক মাত্রা ছিল ৫.৯। পাশাপাশি মার্কিন ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষা অবশ্য এর মাত্রা ৫.৮ বলে জানিয়েছে। দক্ষিণ ইবারাকি প্রিফেকচারে মাটির থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি। ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবেই পরিচিত ওই এলাকা। কম্পনের জেরে টোকিও ও নারিতা বিমানবন্দরগামী এক্সপ্রেস ট্রেনসহ বেশ কয়েকটি স্থানীয় ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয়। তবে শিনকানসেন বুলেট ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক ছিল বলে সূত্রের খবর।
স্থানীয় মারফত জানা গিয়েছে, বেশিরভাগ মানুষ ঘুমের মধ্যে ভূমিকম্প অনুভব করে। তারপর আতঙ্কে বিছানা থেকে উঠতেই পড়ে গিয়ে কিংবা আসবাবপত্র ও দরজায় ধাক্কা খেয়ে আহত হন।
স্থানীয় মারফত জানা গিয়েছে, বেশিরভাগ মানুষ ঘুমের মধ্যে ভূমিকম্প অনুভব করে। তারপর আতঙ্কে বিছানা থেকে উঠতেই পড়ে গিয়ে কিংবা আসবাবপত্র ও দরজায় ধাক্কা খেয়ে আহত হন।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখতে সরকার একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে ইতিমধ্যেই। ভূমিকম্পের সময় টোকিওতে মোবাইলে জরুরি সতর্কবার্তাও পৌঁছে গিয়েছিল। কম্পের জেরে টোকিওর প্রায় ৪৬০টি বাড়িতে সাময়িক বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এর আগে গত মাসে জাপানের দক্ষিণের কিউশু দ্বীপের কুমামোতো এলাকায় ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পের জেরে মোট ৩৮ জনের মৃত্যু এবং ৩৬৪ জন আহত হন। ওই ভূমিকম্পে দেড় হাজারেরও বেশি বহুতল সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং প্রায় ২০ হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। জাপানের এরকম ঘনঘন ভূমিকম্পের হওয়ায় আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারা।



