১৯ জুন : কানাডার ম্যাচ জয়ের আনন্দ ম্লান হয়ে যায় তাদের তারকা মিডফিল্ডার ইসমায়েল কোনের ভয়ংকর চোটে। যা জানা যাচ্ছে, গোটা বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছেন তিনি। এই সঙ্গে চর্চায় কানাডা-কাতার ম্যাচে দু’দলের সংঘর্ষও।
কীভাবে চোট পেলেন তিনি? ম্যাচের বয়স তখন ৫২ মিনিট। কানাডার মিডফিল্ডারকে পিছন থেকে কড়া ট্যাকল করেন কাতারের আসিম মাদিবো। কাতরাতে থাকেন ইসমায়েল। তাঁর বাঁ-পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ ভেঙে ঝুলতে দেখা যায়। খেলোয়াড়রা ছুটে আসেন। মাঠেই কিছুক্ষণ শুশ্রূষা চলে তাঁর। স্ট্রেচারে করে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। লাল কার্ড দেখানো হয় মাদিবোকে। ইসমায়েলের চোটের অবস্থা দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি কানাডা কোচ জেসি মার্শ।
চোট পাওয়া ইসমায়েলের কাছে সবার আগে পৌঁছে গিয়েছিলেন কানাডার অধিনায়ক স্টিফেন ইউস্তাকিও। ম্যাচের পর তিনি বলেন, “আমি ওর পা দেখেছিলাম। বুঝতে পারছিলাম যে, কিছু একটা ঠিক ছিল না। আমরা ওকে মিস করব।” কানাডার কোচ বলেছেন, কোনেকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে অস্ত্রোপচারও হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এমন ভয়ানক ট্যাকেল নিয়ে সরব হয়েছেন কাতার ম্যাচে হ্যাটট্রিক করা জোনাথন ডেভিড। তিনি বলেন, “এমন ট্যাকেলের প্রয়োজনীয়তা কী? এভাবে তো বল জেতা যায় না। এর উদ্দেশ্য শুধু অন্যদের কষ্ট দেওয়া।”

এই ম্যাচে কোনের চোট ছাড়াও চর্চায় জোড়া লাল কার্ড এবং উভয় দলের ফুটবলারদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা। খেলা শেষ হওয়ার পর থামেনি উত্তেজনা। এমনকী হার নিশ্চিত জেনেও কাতার ফুটবলাররা ‘রণংদেহি’ মানসিকতা থেকে সরে আসেননি। একের পর এক ট্যাকেল করতে থাকেন। রেফারির কাছে আপত্তিও জানান কানাডা ফুটবলাররা। শেষ বাঁশি বাজার পর কাতারের খেলোয়াড়দের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। দুই দলের ফুটবলাররা ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন। এমনকী দুই দলের কোচের মধ্যেও তর্কযুদ্ধ শুরু হয়। উল্লেখ্য, কাতারকে ছ’গোলের মালা পরিয়ে গ্রুপ বি-তে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে কানাডা।



