২৮ নভেম্বর : বিহারে ভোট মিটতেই এনডিএ শিবিরে ফাটল! জোটের অন্যতম শরিক উপেন্দ্র কুশওয়াহার রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা (আরএলএম) ছাড়লেন সাত ‘বিক্ষুব্ধ’ নেতা। তাঁদের বক্তব্য, দলের প্রধান আসলে পরিবারতন্ত্র চালাচ্ছেন। প্রসঙ্গত, এই পরিবারতন্ত্র নিয়ে কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলিকে বারবার আক্রমণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
আসলে এনডিএ-র শরিক আরএলএম-এর কোটায় যে মন্ত্রক গিয়েছে, সেটি নিজের ছেলে দীপক প্রকাশকে দিয়েছেন উপেন্দ্র। কিন্তু এই দীপক কোনওদিন ভোটে দাঁড়ানো তো দূরের কথা, সক্রিয় রাজনীতিও করেননি। একেবারেই অনভিজ্ঞ। কিছুদিন আগে পর্যন্ত তিনি ছিলেন বিদেশে। বিহারের রাজনীতির সঙ্গে কোনও যোগাযোগই ছিল না তাঁর। কোনওদিন ভোটেও লড়েননি। মাঠে নেমে রাজনীতি করেননি। কোনও দলের ঝান্ডা ধরেননি। এমনকী কোনও রাজনৈতিক দলের সক্রিয় সদস্যও ছিলেন না। অথচ নীতীশ কুমারের দশম মন্ত্রিসভায় তাঁকে মন্ত্রী করে দেওয়া হল স্রেফ পরিবারের পরিচিতির ভিত্তিতে। তাতেই চটেছেন দলীয় নেতাদের একাংশ।
দলত্যাগী নেতা জিতেন্দ্র নাথ বলেন, “আমি গত ন’বছর ধরে আমি কুশওয়াহাজির সঙ্গে রয়েছি। তাঁর রাজনীতি খুব ভালোভাবে বুঝতে জানি। তিনি একসময় নিজেকে নীতিশ কুমারের উত্তরসূরি কল্পনা করতেন। এখন তিনি নিজের ভবিষ্যৎ অন্ধকার দেখছেন। তাই পরিবারতন্ত্র চালাতে শুরু করেছেন।”



