১০ জানুয়ারি : বিশ্বের বৃহত্তম অপরিশোধিত তেলের ভান্ডার ভেনেজুয়েলার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করল আমেরিকা। সম্প্রতি সমুদ্রপথে ভেনেজুয়েলার একটি বিশাল তেলের ট্যাঙ্কার আটকে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আমেরিকার অনুমতি ছাড়া ভেনেজুয়েলা থেকে কোনো তেলের ট্যাঙ্কার আন্তর্জাতিক বাজারে যেতে পারবে না। এটি নিয়ে গত কয়েক মাসে পঞ্চমবারের মতো ভেনেজুয়েলার ট্যাঙ্কার মাঝপথে আটকাল ওয়াশিংটন।
ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর মার্কিন আধিপত্য স্থায়ী করতে শুক্রবার হোয়াইট হাউসে আমেরিকার শীর্ষ তৈল পরিশোধনকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন ট্রাম্প। সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, বৈঠকে ট্রাম্প ওই সংস্থাগুলোকে ভেনেজুয়েলার তেল শিল্পে বড় ধরনের বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন প্রায় ১০০ কোটি ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৯ লক্ষ কোটি টাকা) বিনিয়োগের। ট্রাম্পের লক্ষ্য, ভেনেজুয়েলার জরাজীর্ণ হয়ে পড়া তেলের পরিকাঠামোকে মার্কিন প্রযুক্তিতে নতুন করে গড়ে তোলা এবং উৎপাদনকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া যা আগে কখনও দেখা যায়নি।
ট্যাঙ্কার বাজেয়াপ্ত করার বিষয়ে ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, “ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে আমরা একটি তেলের ট্যাংকার আটকেছি যা অনুমতি ছাড়াই রওনা দিয়েছিল। সেটি পুনরায় ভেনেজুয়েলায় ফেরানো হচ্ছে এবং চুক্তি অনুযায়ী সেই তেল নির্ধারিত পদ্ধতিতে বিক্রি করা হবে।” ট্রাম্পের এই কড়া অবস্থান বিশ্ব রাজনীতিতে তেলের বাজার এবং দক্ষিণ আমেরিকার সার্বভৌমত্ব নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
খবর : উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল।



