বরাক তরঙ্গ, ২৫ ফেব্রুয়ারি : কেন্দ্রীয় দক্ষতা উন্নয়ন এবং উদ্যমিতা মন্ত্রকের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী জয়ন্ত চৌধুরী বুধবার হাইলাকান্দিতে উচ্চাকাঙ্ক্ষী জেলার রূপায়ণ করা প্রকল্পগুলি খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন। গ্রামীন জীবিকা মিশনের উৎপাদিত সামগ্রী গুলির গুণগত মান দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, জেলা থেকে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের আরো বড় উদ্যোগের প্রস্তাব পাওয়া গেলে কেন্দ্রীয় সরকার থেকে অনুদান দেওয়ার কথা বিবেচনা করা হবে। বৈঠকে জানানো হয় যে এসপিরেশন ডিস্ট্রিকের আওতায় জেলায় ৩৬ টি প্রকল্পের কাজ জোরদার গতিতে এগিয়ে চলছে। এর মধ্যে লালায় একটি কমিউনিটি হেল্থ সেন্টার স্থাপনের। ফলে ওই এলাকায় স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতি ঘটেছে। পাশাপাশি কাটলিছড়ায় বার্থ ওয়েটিং হোম স্থাপনের ফলে ওই এলাকায় বাড়িতে শিশু জন্মের হার হ্রাস পেয়েছে এবং সরকারি ক্ষেত্রে শিশু পরিচর্যার মান বেড়েছে। ভেটেনারি ক্ষেত্রে জেলার ৬০.৩৫ শতাংশ প্রাণীকে কৃত্রিম প্রজননের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে এবং ৩৭.৮৫ শতাংশ প্রাণীকে ভ্যাকসিনেশন এর আওতায় আনা হয়েছে। কৃষি ক্ষেত্রে জেলার ১০.৬১ শতাংশ কৃষি জমিকে মাইক্রো ইরিগেশন এর আওতায় এ পর্যন্ত আনা সম্ভব হয়েছে। এসএস কলেজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন একটি ইনোবেশন হাব গড়ে তুলতে দশ কোটি টাকার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা প্রকল্পে জেলায় গত বছরে ৭৪ জনকে এবং চলতি অর্থবছরের ৩৭ জনকে স্বাবলম্বী করতে অর্থ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চৌধুরী জেলায় ৬৫ হাজার এস এইচ জি কর্মকর্তাদের উৎপাদিত সামগ্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হাতে জেলার এসএইচজি কর্মকর্তাদের দ্বারা সয়াবিন থেকে উৎপাদিত টুফু পনির, মরি্ঙ্গা (সজনা) পাউডার, রোজেলা টি (চাপাতা) এবং বিভিন্ন দ্রব্যের আচার ইত্যাদি তুলে দেওয়া হয়। সভায় কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের অধিকর্তা রাহুল পাচরি, সিএসটিএআর অধিকর্তাটি রঘুলান, এনএসডিসি-কনসালটেন্ট স্বাতী রাহাল, জেলা কমিশনার অভিষেক জৈন, ডিডিসি নরসিং বে, জেলা পরিষদের সিইও রুথলিয়েঙথাঙ সহ বিভিন্ন বিভাগের শীর্ষ কর্তার অংশ নেন।



