বরাক তরঙ্গ, ২৩ মার্চ : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সোমবার হাইলাকান্দি জেলায় মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুসরণ করে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে গোটা প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়।জেলার দুইটি বিধানসভা আসন হাইলাকান্দি এবং আলগাপুর-কাটলিছড়া—মিলিয়ে মোট ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
হাইলাকান্দি বিধানসভা কেন্দ্রে ময়ূখ ভট্টাচার্য (এসইউসিআই-সি), অজিত নুনিয়া (স্বতন্ত্র), গৌতম নাথ (স্বতন্ত্র), জীবন রায় (স্বতন্ত্র), মিলন দাস (বিজেপি), গৌতম কান্তি দাস (স্বতন্ত্র), বিশাল সিংহ মালাকার (স্বতন্ত্র), রাহুল রায় (কংগ্রেস), সুভাষ গুন (স্বতন্ত্র), ধ্রুব চক্রবর্তী (স্বতন্ত্র), টিংকু ভূষণ নাথ (স্বতন্ত্র), বিনোদ রী (স্বতন্ত্র)। তারা সকলেই রিটার্নিং অফিসার তথা এডিসি মনসুর আহমেদ মজুমদারের কাছে মনোনয়ন জমা দেন।
আলগাপুর-কাটলিছড়া কেন্দ্রের প্রার্থীরা হলেন— আলতাফ হোসেন মজুমদার (এসইউসিআই-সি), ফরিজ জামান মজুমদার (স্বতন্ত্র), সাব্বির আহমেদ চৌধুরী (স্বতন্ত্র), সুজাম উদ্দিন লস্কর (স্বতন্ত্র), মুস্তাক হোসেন বড়ভূইয়া (স্বতন্ত্র), সুজাম উদ্দিন লস্কর (স্বতন্ত্র), বিনয় কুমার রায় (স্বতন্ত্র), মুজিব আহমদ চৌধুরী (স্বতন্ত্র), জুবায়ের আনাম মজুমদার (কংগ্রেস), ফিরুজ খান চৌধুরী (স্বতন্ত্র), নিজাম উদ্দিন চৌধুরী (স্বতন্ত্র), সিরাজুল ইসলাম বড়ভূইয়া (স্বতন্ত্র), জাকির হোসেন লস্কর (এজিপি), সিরাজুল ইসলাম লস্কর (স্বতন্ত্র), মুজাক্কির হুসেন লস্কর (স্বতন্ত্র), হায়দর হুসেন লস্কর (আরএসসি), জমিল আহমেদ চৌধুরী (স্বতন্ত্র), সামিন আহমেদ চৌধুরী (স্বতন্ত্র), ইকবাল বাহার মজুমদার (স্বতন্ত্র) এবং ফরিদুল ইসলাম তাপাদার (স্বতন্ত্র)। তাঁরা রিটার্নিং অফিসার তথা এডিসি অন্তরা সেনের কাছে মনোনয়নপত্র পেশ করেন। এর মধ্যে শেষ দিনে ১২১ নম্বর হাইলাকান্দি কেন্দ্রে ১১ জন এবং ১২২ নম্বর আলগাপুর-কাটলিছড়া কেন্দ্রে ১৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর আগে ২০ মার্চ জমা পড়া মনোনয়ন পত্রসহ হাইলাকান্দি কেন্দ্রে মোট প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২। এবং ১২২ আলগাপুর কাটলিছড়া কেন্দ্রে মোট প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ জন।
এদিন জেলা প্রশাসনের কড়া নজরদারি ও নিষ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে মনোনয়ন গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। জেলা শাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে নির্ধারিত সীমার মধ্যে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রত্যেক প্রার্থীর সঙ্গে সীমিত সংখ্যক ব্যক্তিকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ ছিল। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ মনোনয়নপত্রগুলির স্ক্রুটিনি অনুষ্ঠিত হবে।



