২১ ফেব্রুয়ারি : বাবা-মা, ভাই সঙ্গে পোষা বিড়ালকেও নির্মমভাবে খুনের অভিযোগ। নিজের পরিবারেই হত্যালীলা চালানোর অভিযোগ উঠল দীপক ধুরভে নামে তিরিশ বছরের এক যুবকের বিরুদ্ধে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশে। তিন জনকে খুনের পাশাপাশি নিজের মাত্র পাঁচ বছরের ভাইপোকেও হত্যার চেষ্টা করে ওই যুবক বলেই অভিযোগ।
গভীরভাবে জখম শিশুটি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অভিযুক্ত দীপক একদা ছিলেন দ্বাদশ শ্রেণির টপার। তুখোড় মেধাবী ছাত্রই বর্তমানে ‘সাইকো কিলার’! পুলিশের ধারণা তেমনই। ঘটনাটি ঘটে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ওই রাতেই নিজের বাড়িতেই রক্তাক্ত তাণ্ডব চালিয়ে পরিবারের তিন সদস্যকে খুন করে দীপক। তিন খুনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর পুলিশ অভিযুক্ত দীপক ধুরভেকে গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করে।
আদালতের নির্দেশে তাকে দু’দিনের জন্য বেতুল জেলা হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। সেখানেও তার হিংস্র আচরণ প্রকাশ পায়। অভিযুক্ত হাসপাতালের একটি খাট পর্যন্ত ভেঙে ফেলে, ফলে হাসপাতালের কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
দীপকের চিকিৎসায় যুক্ত চিকিৎসকদের দাবি, তার মানসিক অবস্থা স্বাভাবিক নয়। সামান্য বিষয়েও সে উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং হাতে যা পায়, তা দিয়েই সামনে থাকা ব্যক্তিকে আঘাত করার চেষ্টা করে।
বেতুল জেলে মানসিক রোগীদের জন্য আলাদা সেল না থাকায় দীপককে সেখানে রাখা সম্ভব হচ্ছিল না। তাই আদালতের নির্দেশে দীপক ধুরভেকে গোয়ালিয়র জেলে পাঠানো হয়েছে। তাকে স্থানান্তর করতে পুলিশকে অচেতন করতে হয়। ১১ জন পুলিশকর্মীর একটি দল এবং তার দুই আত্মীয়কে সঙ্গে পাঠানো হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তের চিকিৎসা চলবে এবং সে বিচারবিভাগীয় হেফাজতেই থাকবে।



