বরাক তরঙ্গ, ১৪ জানুয়ারি : জুবিন গর্গের মৃত্যুকে ঘিরে সিঙ্গাপুরের আদালতে শুনানির সময় একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। ১৪ জানুয়ারি করোনার’স কোর্টে অনুষ্ঠিত শুনানিতে তদন্তকারী আধিকারিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন। করোনার’স কোর্টে জানানো হয়, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সিঙ্গাপুরের লাজারাস দ্বীপের কাছে সাঁতার কাটার সময় জুবিন গার্গ “অত্যধিক মদ্যপ” অবস্থায় ছিলেন। সেই সময় তাঁর গায়ে লাইফ জ্যাকেটও পরা ছিল না বলে জানান এক পুলিশ তদন্তকারী।
দ্য স্ট্রেইটস টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, করোনার’স কোর্টে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে পুলিশ কোস্ট গার্ডের সহকারী পুলিশ সুপার ডেভিড লিম বলেন, ৫৩ বছর বয়সি জুবিন গর্গ মদ্যপান করেছিলেন এবং ইয়ট থেকে পানিতে নামার আগে লাইফ জ্যাকেট পরতে অস্বীকার করেন।
এএসপি লিমের বক্তব্য অনুযায়ী, জুবিনের বন্ধুরা জলে নামার পর তাঁকে সাঁতরে ইয়টে ফিরে আসার জন্য বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সাঁতার কাটার সময় জুবিন অচেতন হয়ে পড়েন এবং তাঁকে জলের উপর ভেসে থাকতে দেখা যায়।
আদালতে এএসপি লিম আরও জানান, এরপর জুবিনকে পুনরায় ইয়টে তুলে আনা হয় এবং তাঁর বন্ধুরা তাঁকে সুস্থ করার চেষ্টা করেন। পরে তাঁকে চিকিৎসালয়ে নিয়ে যাওয়া হলে ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে পানিতে ডুবে যাওয়াকেই জুবিন গর্গের মৃত্যুর কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আদালতকে জানানো হয়, দেশটিতে প্রবাসী অসমিয়াদের উদ্যোগে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া ফেস্টিভ্যাল’-এ অংশগ্রহণের জন্যই জুবিন গর্গ সিঙ্গাপুরে উপস্থিত ছিলেন। তদন্তে সাক্ষ্য দেওয়া প্রথম ব্যক্তি ছিলেন এএসপি ডেভিড লিম। শুনানির সময় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি জুবিন গার্গের কাকাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তদন্ত এখনও অব্যাহত রয়েছে।



