২৫ জানুয়ারি : ৪৯ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার চতুর্থ দিনে রবিবার প্রকাশিত হলো শিলচরের দুই তরুণ লেখকের বই – প্রথমটি গল্পকার সত্যজিত্ নাথের প্রথম উপন্যাস ‘শেষের বেলা’ এবং দ্বিতীয়টি কবি, সম্পাদক প্রণব কান্তি দাসের প্রথম কাব্য সংকলন ‘বরাকপারের কান্না’। এদিন সন্ধেবেলা প্রথমে কলকাতার প্রথম সারির প্রকাশনা সংস্থা ‘একুশ শতক’ এর স্টলে এবং তারপর ‘বিহার বাঙালি সমিতি’র স্টলে বইদুটির আনুষ্ঠানিক উন্মোচন করেন স্বনামধন্য কথাসাহিত্যিক রণবীর পুরকায়স্থ, অমর মিত্র, সৌমিত্র লাহিড়ি, তন্ময় বীর, শ্যামলী কর, সৌরভ হোসেন, গৌতম বিশ্বাস, অলকেশ দাস, সুজাতা চৌধুরী, সত্যজিত্ চৌধুরী, মধুমঙ্গল বিশ্বাস, সঞ্জয় ভট্টাচার্য, নীলভ সৌরভ, মনীষ চক্রবর্তী এবং অন্যান্যরা। দু’টি বইয়ের লেখকই উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে। ছিলেন প্রকাশক অরুণ কুণ্ডু। রণবীর পুরকায়স্থের কথায়, ভূমিকা লিখতে গিয়ে সত্যজিতের উপন্যাস পড়ে একবারের জন্যও মনে হয়নি এটি তার প্রথম উপন্যাস। উপন্যাসের বিষয় অনবদ্য। কাহিনীর গতিও দুর্বার, পথ হারাবার উপায় নেই। লুসাই পাহাড় ও তার সমাজ-সংস্কৃতির ব্যাখ্যান উপন্যাসের এক বাড়তি পাওনা। সত্যজিতের পরিমিতিবোধেরও প্রশংসা করেন তিনি, কোথাও উচ্চকিত নয় তার প্রকাশভঙ্গি।
মাটি, পাহাড়, নদীর গন্ধে ভরপুর প্রণব কান্তি দাসের প্রথম কাব্য সংকলনেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন রণবীরবাবু ও অন্যান্য বক্তারা। কবির মরমী ও মানবিক বোধে ভরপুর কবিতাগুলি মনের গভীরে গেঁথে যায় বলে মত প্রকাশ করেন সকলেই। বইয়েরই একটি কবিতায় সুরারোপ করেছেন সম্প্রতি বরাক উপত্যকার খ্যাতনামা সংগীতশিল্পী ও সুরকার বিশ্বরাজ ভট্টাচার্য। তাঁরই গাওয়া গানটি এদিন দুটি অনুষ্ঠানে বাজিয়ে শোনানো হয়।
প্রত্যেকেই দুই লেখকের লেখালেখির শৈলী, আঙ্গিক নিয়ে তাঁদের সুচিন্তিত মত প্রকাশ করেন। পাঠকমহলে দুটি বইই দারুণ সাড়া ফেলবে বলেই আশা প্রকাশ করেন বক্তারা সকলেই। ইতিমধ্যেই কিছু কপি প্রি-বুক হয়ে গেছে বলে জানালেন প্রকাশক।



