মোহাম্মদ জনি, শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ২০ জানুয়ারি : প্রয়াত শিক্ষিকা খুশিরানি দাসকে স্মরণ করে নানা কর্মসূচির আয়োজন করল শ্রীভূমির খুশি স্মৃতি সংস্থা। বৈবাহিক জীবনের মাত্র ১১ মাসের মধ্যেই ২৬ দিনের শিশুকে রেখে অকালে প্রয়াণ ঘটে খুশিরানি দাসের। তাঁর অকাল প্রয়াণের দশ বছর পূর্তিতে মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। খুশির স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে গত এক দশক ধরে খুশি স্মৃতি সংস্থার উদ্যোগে সামাজিক সেবা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। সংস্থার পক্ষ থেকে সমাজসেবা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য মেলা আয়োজন, দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় সহায়তা প্রদানসহ নানামুখী মানবকল্যাণমূলক কাজ করে চলেছে সংস্থা।
আজকের স্মরণসভায় সংস্থার সভানেত্রী প্রবীণ নৃত্যগুরু সুলেখা দত্ত চৌধুরী বলেন, “খুশির স্বল্প জীবনের মধ্যেও তাঁর মানবিক কর্ম ও মূল্যবোধ আজও আমাদের পথ দেখায়। সেই আদর্শকে সামনে রেখেই সংস্থা সমাজসেবায় নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।”
খুশিরানি দাসের দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রীভূমি শহরের বনমালীসহ বিভিন্ন এলাকার দিব্যাঙ্গদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। শীতবস্ত্র বিতরণের পর সংস্থার কার্যালয়ে খুশিরানির প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক ও ফুল অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান সংস্থার সদস্যরা।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সংস্থার পক্ষে আইনজীবী বর্ণিতা সেন বলেন, “খুশি স্মৃতি সংস্থার সেবামূলক কর্মকাণ্ড আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। মানবসেবায় সংস্থার এই নিষ্ঠা দেখে মনে হয়, খুশিরানি যেখানে থাকুন, নিশ্চয়ই ভালো থাকবেন। ভবিষ্যতে সংস্থা আরও বৃহত্তর পরিসরে কাজ করবে, যার ফলে সাধারণ দরিদ্র মানুষ উপকৃত হবেন।”
সংস্থার কোষাধ্যক্ষ মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, “খুশি বৌদি অল্প সময়ের সংসার জীবনে সমাজে যে মানবিক ছাপ রেখে গিয়েছেন, তা আজও আমাদের অনুপ্রেরণা। তাঁর স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে আমরা খুশি স্মৃতি সংস্থার মাধ্যমে নীরবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছি। অনুষ্ঠানে প্রয়াত খুশিরানি দাসকে স্মরণ করে একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন মঞ্জুশ্রী চক্রবর্তী।
এদিনের শীতবস্ত্র বিতরণ ও শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুব্রত চৌধুরী, প্রবীর ভট্টাচার্য, পলাশ সোম, বাবলি সোম, রুবি মল্লিক, উমা পাল, ধ্রুবজ্যোতি ধর, অর্পিতা দাস ধর, সন্ধ্যা কর, মঞ্জুরি চৌধুরী, ড. অর্পিতা রাণী দাস, শুভঙ্কর মালাকার, আরোহী ধর



