মোহাম্মদ জনি, শিলচর।
বরাক তরঙ্গ, ১৭ মার্চ : করিমগঞ্জ কলেজকে প্রতিটি নির্বাচনের পর স্ট্রংরুম হিসেবে ব্যবহারের ফলে ছাত্রছাত্রীদের পঠন-পাঠন দীর্ঘকাল বন্ধ থাকার প্রতিবাদ এবং বিকল্প স্থানে স্ট্রংরুম স্থাপনের দাবিতে নিজের মুখ্য রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের নিকট গতকাল স্মারকপত্র প্রেরণ করেছে করিমগঞ্জের নাগরিক সমাজ। স্মারক পত্রে স্বাক্ষর করেন বিশিষ্ট প্রবীণ নাগরিক সতু রায়, প্রবীণ আইনজীবী জ্যোতির্ময় দাস, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সুনীত রঞ্জন দত্ত, বিশিষ্ট বামপন্থী শ্রমিক নেতা চন্দন চক্রবর্তী, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গৌতম চৌধুরী, পিকলু দে, সুদীপ্তা দে চৌধুরী ,সমাজকর্মী সুবীর বরণ রায়, বিশিষ্ট আইনজীবী নন্দন কুমার নাথ, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক নির্মল কুমার সরকার, বিশিষ্ট চিকিৎসক মোস্তফা আহমদ চৌধুরী, ছাত্র নেতা হিল্লোল ভট্টাচার্য, বিশিষ্ট নাগরিক বদরুল হক চৌধুরী, করিমগঞ্জ কলেজ সংসদের সাধারণ সম্পাদক রুচিতা পুরকায়স্থ, সহ শতাধিক স্বাক্ষর।
স্মারকপত্রে নির্বাচনী আধিকারিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয় যে দীর্ঘসময় ধরে করিমগঞ্জ কলেজকে ভোট গণনা এবং স্ট্রং রুমের কাজে বারবার ব্যবহার করার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হয়েছে এবং ছাত্র ছাত্রীদের পঠন পাঠন ব্যাপক ভাবে ব্যাহত হয়েছে। বর্তমানে যখন চারবছরব্যাপী স্নাতক পাঠ্যক্রমের যেসব ছাত্র ছাত্রীদের আসন্ন মে মাসে পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হবে তাদের পড়াশোনা সাংঘাতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এভাবে প্রায় বিভিন্ন ধরনের নির্বাচনের জন্য ছাত্র ছাত্রীদের পঠন পাঠন ব্যাহত হয়। যেসব দিনের পর দিন করিমগঞ্জ কলেজ এবং সংলগ্ন স্কুলগুলোর পঠন-পাঠনের পরিবেশ অক্ষুন্ন রাখার জন্য বিশিষ্ট নাগরিকরা এবারের নির্বাচনের জন্য জেলা ইনডোর স্টেডিয়াম নতুবা সুতার কান্দির বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রে ভোট গণনা এবং স্ট্রং রুমের ব্যবস্থা করার দাবি উত্থাপন করেন। এবং আগামী দিনে স্থায়ী স্ট্রং রুম সহ ভোট গণনা কেন্দ্র স্থাপন করার দাবি জানান। এই দাবিতে সোচ্চার ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধি দলের প্রতি জেলা আয়ুক্তের বিতর্কিত আচরণের জন্য নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়ে রাজ্যের মুখ্য সচিবকে স্মারক পত্র প্রেরণ করা হয়। স্মারকপত্রে জনস্বার্থে দাবি উত্থাপনকারী যে কোন প্রতিনিধি দলের প্রতি আগামীদেনে সম্মানজনক আচরণর ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানানো হয়।


