৮ মার্চ : ইরান বনাম ইজরায়েল-আমেরিকার যুদ্ধ থামার নয়। যুদ্ধের আবহে প্রথমবারের মতো ইরানের তেলক্ষেত্র ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাল ইজরায়েলি বিমান বাহিনী। কয়েকটি ভাইরাল ভিডিওতে ইরানের রাজধানী তেহরানের তেল ডিপোতে ভয়াবহ আগুনের দৃশ্য ফুটে উঠেছে। শনিবার-রবিবার (৭-৮ মার্চ) গভীর রাতে ইজরায়েলি বিমান বাহিনী এই হামলা চালিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত তীব্রতর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তেহরানের বেশ কয়েকটি জ্বালানি ডিপো এবং রিজার্ভ লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ইজরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী।
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া কিছু ছবি-ভিডিওতে বিশাল অগ্নিকাণ্ডের দৃশ্য দেখা গিয়েছে। যেখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিংয়ের থেকে উঁচু শিখা এবং ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যাচ্ছে। একটি বিবৃতিতে আইডিএফ জানিয়েছে, এই হামলা ইরানের সামরিক বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত তেল সংরক্ষণাগুলিকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। ইরানের সন্ত্রাসী শাসনের সামরিক বাহিনী সামরিক অবকাঠামো পরিচালনার জন্য এই জ্বালানি ট্যাঙ্কগুলি ঘন ঘন ব্যবহার করে। ইরানের সামরিক সক্ষমতা আরও ক্ষতিগ্রস্ত করার লক্ষ্যে এই হামলা চালানো হয়েছিল। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছিল, তেহরানের প্রধান শোধনাগার কমপ্লেক্সের কাছে দক্ষিণ তেহরানের একটি তেল ডিপোতে হামলা চালানো হয়েছে। তবে শোধনাগারটির কোনও ক্ষতি হয়নি।
উত্তর-পশ্চিম তেহরানের একটি জ্বালানি ডিপোতেও হামলা চালানো হয়েছে। বর্তমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এবারই প্রথমবারের মতো ইজরায়েল ইরানের জাতীয় অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। এদিকে, গতকাল শনিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কাউন্টি মিনাবের একটি স্কুলে ভয়াবহ হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছিলেন। কিন্তু ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, গত শনিবার একটি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলায় ১৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগ ছাত্রী। এই হামলা চালিয়েছে আমেরিকা-ইজরায়েল। তবে কেউই এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।



