৩১ ডিসেম্বর : উত্তরপূর্ব ভারতকে বিচ্ছিন্ন করার ডাক দিয়েছেন বাংলাদেশি নেতারা। আর এই পরিস্থিতিতে এবার বাংলাদেশকে পালটা হুঁশিয়ারি দিলেন নাগাল্যান্ডের মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা তেমজেন ইমনা আলং। অরুণাচলে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আলং বলেন, ‘বাংলাদেশ যা বলছে, আমরা তার বেশি নিন্দা জানাব না।
আমরা চাই ওরা উত্তরপূর্ব ভারতে আসুক। তারা এখানে দেখে যাক। আমরা জেনে গিয়েছি যে তারা কী চায়। তারা আমাদের হিড়িম্বা আর ঘটোৎকচ দেখেনি। তাই চাই তারা আসুক। তবে যদি আসতে পারে। আমরা দেখাব কেমন হয় বিষয়টা। গলা টলা কাটার যে বিষয়টা বলা হচ্ছে না, তা আমাদের থেকে ভালো কেউ জানে না।’
আলং বলেন, ‘চিকেন নেক টেক কিছু আমাদের নেই। এই সব মিডিয়ার দেওয়া নাম। আমরা খুব শক্তিশালী ভাবে উত্তরপূর্ব ভারতের সঙ্গে যুক্ত আছি। আমরা ভারতীয়। আমরা এটা বলতে চাই না যে সব বাংলাদেশি খারাপ। কিছু যে পাগল আছে, তারা এই সব কথাবার্তা বলে। রাজনীতি করতে গিয়ে তাদের এটা ভুলে যাওয়া উচিত না, ১৯৭১ সালে ভারতই তাদের স্বাধীন করেছিল। এত জলদি যদি সেই সব তারা ভুলে যায়, তাহলে অনেক কিছু হতে পারে।’
এর আগে সম্প্রতি বাংলাদেশে ভারত বিরোধী জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ার কথা বলে উস্কানি দিয়েছিলেন হাসনাত আবদুল্লাহর মতো নেতারা। এমনকী ওসমান হাদির হত্যাকারীদের ধরার দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভেও ক্রমাগত ভারত বিরোধী স্লোগান উঠছে। হাদির হত্যাকারী হিসেবে ফয়সল করিম নামে এক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে বাংলাদেশ পুলিশ। ফয়সলের পরিবার এবং তার সঙ্গে জড়িত থাকা অনেককেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যদিও ফয়সল পলাতক। এই আবহে দাবি করা হচ্ছে, ফয়সল নাকি ভারতে পালিয়ে গিয়েছে। এমনকী হাদির বোন তো এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ভারতের ‘র’-এর হাত আছে বলেও ভিত্তিহীন অভিযোগ করছিলেন। যদিও বাংলাদেশ পুলিশ প্রথমে জানায়, ফয়সলের দেশ ছাড়ার বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন। এমনকি এই ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে, ফয়সল দেশেই আছে এবং পুলিশকে বিভ্রান্ত করতেই হয়ত দেশ ছাড়ার গুজব রটানো হয়েছে। তবে সম্প্রতি তারা দাবি করে, ফয়সলরা ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে। এদিকে হাদি হত্যার সঙ্গে জড়িতদের ভারতে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয় সেই দেশের সংবাদমাধ্যমে।



