মোহাম্মদ জনি, পাথারকান্দি।
বরাক তরঙ্গ, ২৭ জানুয়ারি : অধ্যবসায়, নিষ্ঠা ও জ্ঞানের সাধনায় যে সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো যায়, তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন রাতাবাড়ির কৃতী সন্তান হাফিজ মুফতি মওলানা ফয়জুর রহমান। আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তেইশতম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আরবি বিভাগে স্বর্ণপদকে ভূষিত হয়ে তিনি শুধু নিজের নয়, গোটা শ্রীভূমি জেলার গর্ব ও সম্মান বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছেন। এই অসামান্য কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে সংবর্ধনা জানাল সামাজিক সংগঠন জিপিএফ।এই উপলক্ষে মঙ্গলবার জিপিএফের সভাপতি ও ছাত্রনেতা বদরুল হক-এর নেতৃত্বে সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল রাতাবাড়ি নিজামিয়া টাইটাল মাদ্রাসায় উপস্থিত হয়ে কৃতী এই শিক্ষাবিদকে ঐতিহ্যবাহী গামছা ও সম্মানসূচক ঝাঁপি পরিয়ে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বদরুল হক বলেন, “হাফিজ মুফতি মাওলানা ফয়জুর রহমানের এই কৃতিত্ব শুধুমাত্র তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং গোটা শ্রীভূমি জেলার গর্ব ও সম্মান বহুগুণে বৃদ্ধি করেছে। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও নিষ্ঠা আজকের নবপ্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।তিনি আরও বলেন, “শিক্ষাই একটি জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষা ছাড়া কোনো সমাজ, কোনো জাতি কিংবা কোনো দেশ কখনো উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পারে না। প্রয়োজনে ভিক্ষা করেও শিক্ষা অর্জনের মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। ফয়জুর রহমানের সাফল্য সেই বার্তাই আমাদের সামনে তুলে ধরেছে।এই কৃতিত্বের জন্য হাফিজ মুফতি মাওলানা ফয়জুর রহমানের মাতা-পিতা ও শিক্ষকবৃন্দের অবদানের কথা স্মরণ করে জি.পি.এফ-এর কর্মকর্তারা তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি কৃতী এই শিক্ষাবিদের আগামী দিনের পথচলা আরও উজ্জ্বল হোক এই কামনাও করেন সংগঠনের সদস্যরা।সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হেদায়েত হোসেন, জয়নাল উদ্দিন সহ জি.পি.এফ-এর একাধিক কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ। পুরো অনুষ্ঠানটি এক আন্তরিক, গৌরবময় ও অনুপ্রেরণাদায়ক পরিবেশে সম্পন্ন হয়।



