মাকুন্দা-চন্দ্রপুর সড়কে জবরদখলের অভিযোগে ডিজিটাল মাপজোক

মোহাম্মদ জনি, পাথারকান্দি।
বরাক তরঙ্গ, ১৭ নভেম্বর : পাথারকান্দি মহকুন্দা রোড়ের ব্যস্ততম এলাকা  জবরদখলকারীরদের কবল থেকে উদ্ধারে নামল।সার্কল প্রশাসন। অভিযোগ মতে বাজারিছড়া বাজারের মধ্য দিয়ে যাওয়া মাকুন্দা–চন্দ্রপুর সড়ক দীর্ঘদিন ধরেই অস্বাভাবিক যানজটের কারণে ভোগান্তির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সড়কের দু’পাশে পিডব্লিউডির সরকারি জমি ক্রমশ জবরদখলের শিকার হওয়ায় রাস্তার পরিসর অস্বাভাবিকভাবে সংকুচিত হয়ে পড়ে। যার ফলে প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় প্রচণ্ড ভিড়, যানজট ও অব্যবস্থা তৈরি হয়।এই অভিযোগের ভিত্তিতে আজ পাথারকান্দি সার্কেল প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সড়কের দুই পাশের সরকারি জমির মাপজোক করা হয়। সার্কল অফিসার অদিতি নুনিসা উপস্থিত থেকে পুরো কার্যক্রম তদারকি করেন। জমি পরিমাপের চিত্র ডিজিটাইসড সার্ভের মাধ্যমে পিডব্লিউডির একাধিক জায়গায় অবৈধ দখলের চিহ্ন পাওয়া যায়। সার্কল অফিসারের বক্তব্য অনুযায়ী প্রাথমিক মাপজোকেই কিছু স্থানে সরকারি জমি দখল হয়ে থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। এসব জায়গার জবরদ খলকারীদের দ্রুত জমি ছাড়ার জন্য মৌখিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পাশাপাশি পাট্টাধারী জমির সঠিক সীমানা চিহ্নিত করে তাদের বিভ্রান্তিও দূর করা হয়েছে। এতে আগামিতে জমির বিরোধ কমবে।মাকুন্দা সড়কের পর বাজারিছড়া এলাকার নদী বা ছড়ার উপরও বহুদিন ধরে অবৈধ দখলের অভিযোগ উঠেছিল। সেদিকেও নজর দেয় প্রশাসন। সার্কল অফিসার জানান বাজারিছড়া ছড়াটি সরকারি খতিয়ানে স্পষ্ট দাগ নম্বরসহ চিহ্নিত। তাই সেই দাগ অনুসারে সীমানা নির্ধারণ করে দেখা হয়েছে। কোথাও জবরদখল হয়েছে কি না, তার যাচাই চলছে। তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন আজকের পরিমাপটি ছিল প্রাথমিক মূল্যায়ন। সমস্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে খুব শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে। তারপরই প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।স্থানীয়দের মতে, বহুদিনের সমস্যার সমাধানে প্রশাসনের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এই উদ্যোগে সড়কের প্রস্থ বৃদ্ধি,যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, এবং স্থানীয়দের নিত্যদিনের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।অনেকে মনে করছেন, যদি প্রশাসন দ্রুত অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে রাস্তা সংস্কারের ব্যবস্থা নেয়, তাহলে বাজারিছড়া এলাকার যানচলাচল আরও সচল ও ঝামেলামুক্ত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *