বরাক তরঙ্গ, ৮ মার্চ : অসমে সরকারি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি এপিডিসিএল এর বিদ্যুতের ট্যারিফ নিৰ্ধারণের জন্য আসাম ইলেকট্রিসিটি রেগুলেটরি কমিশনের কাছে যে আবেদন জানিয়েছিল এর ভিত্তিতে গত ৬ মাৰ্চ ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বিদ্যুতের মাশুল নির্ধারণ করে তা প্রকাশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে অল আসাম ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়কদ্বয় যথাক্রমে অজয় আচার্য এবং হিল্লোল ভট্টাচাৰ্য এক প্রেসবার্তায় বলেন, জনগণের আন্দোলন ও সংগঠনের পক্ষ থেকে রেগুলেটরি কমিশনের কাছে বিদ্যুতের মাশুল বৃদ্ধির তীব্র বিরোধিতার প্ররিপ্রেক্ষিতে রেগুলেটরি কমিশন আগামী অর্থবৰ্ষের জন্য বিদ্যুতের মাশুল বৃদ্ধি করেনি কিন্তু বিদ্যুৎ মাশুলে কোনও ছাড়ও দেয়নি।
তাঁরা বলেন, গত বছর বিদ্যুতের মাশুল থেকে সরকারের ৪০০ কোটি টাকা মুনাফা লাভ করে। গত বছর গ্রাহকদের থেকে অতিরিক্ত মাশুল সংগ্রহের ফলেই এই বিশাল মুনাফা লাভ করেছে। তাই গ্রাহকদের এবছর বিদ্যুৎ মাশুলের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা না করে পূৰ্বের ট্যারিফই বহাল রাখা হয়েছে। বিহার, দিল্লি সহ বিভিন্ন রাজ্য সরকার একটি নিৰ্দিষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ গ্রাহকদের বিনামূল্যে প্রদান করে অথচ আসামের বিদ্যুৎ গ্রাহকরা রাজ্যের বিজেপি সরকারের কাছে দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ বিনামূল্যে প্রদানের দাবি জানিয়ে আসছেও তা এবারও মানা হয়নি। কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন রাজ্যের নিম্ন আয়ের বিদ্যুৎ গ্ৰাহকদের প্রতি মাসে ১২৫ ইউনিট বিদ্যুৎ বিনামূল্যে প্রদানের দাবি পুনরায় উত্থাপন করে।



