বরাক তরঙ্গ, ১১ ফেব্রুয়ারি : হাইলাকান্দির ডায়েটে তিন দিনের মধ্যবঙ্গ স্কুলের শিক্ষকদের তিনদিনের এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বুধবার সম্পন্ন হয়। সোমবার এই প্রশিক্ষণের সূচনা করেছিলেন ডায়েট অধ্যক্ষ ইউসুফ আলি শেখ। প্রশিক্ষণে ন্যাশনাল এডুকেশন পলিসি ২০২০ কার্যক্রমের অন্তর্গত কাটলিছড়া, লালা ও হাইলাকান্দি শিক্ষা খণ্ডের ৪৫ টি স্কুলের কর্মরত প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত তিনদিনের এই প্রশিক্ষণে ছাত্র ছাত্রীদের বিশেষ ভাবে কর্মদক্ষ করে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকৌশল নিয়ে আলোকপাত করেন খালিকুজ্জামান লস্কর।
এছাড়া ও বুনিয়াদি শিক্ষা নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা করেন সালেহ আহমদ চৌধুরী। পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্রদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সর্বাঙ্গীন বিকাশের ব্যাপারে দৃষ্টিপাত করেন তিনি। সহজলভ্য স্হানীয় উপকরণ দিয়ে কীভাবে স্বল্প খরচে বিভিন্ন উপাদান তৈরি করা যায় তাও দেখানো হয়। এতে বাঁশ বেত ব্যবহার করে যেসব প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রস্তুত করা সম্ভব এর নির্মাণ পদ্ধতি শেখানো হয়। যার মাধ্যমে ছাত্র ছাত্রীরা কর্মশিক্ষা লাভের সুযোগ পাবে এবং ভবিষ্যতে স্বনির্ভর হতে পারবে। এতে রোজগারের পথ যেমন উন্মুক্ত হবে তেমনি সমাজ ও উপকৃত হবে বলে অভিমত প্রকাশ করা হয়। এই প্রশিক্ষণ পর্বে প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকরা বিভিন্ন ধরনের উপকরণ তৈরি করে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করেন। অনুরূপ ভাবে তৃতীয় দিনেও কাগজ এবং কাপড় ব্যবহার করে বিভিন্ন সামগ্রী তৈরীর পন্হা শেখানো হয় যাতে পুঁথিগত শিক্ষার সাথে সাথে ছাত্র ছাত্রীদের উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটে। তিনদিনের এই প্রশিক্ষণে প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থী নিজের অনুভব ব্যক্ত করেন এবং এসবের যথাযথ প্রয়োগের জন্য ছাত্র ছাত্রীদের সচেষ্ট করবেন বলে অঙ্গীকার করেন।
প্রশিক্ষণ শিবির পরিচালনা করেন ডায়েটের প্রভাষক সালেহ আহমেদ চৌধুরী, খালিকুজ্জামান লস্কর, মিফতাহুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ। প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রাসঙ্গিক বক্তব্যে ইউসুফ আলী শেখ বলেন, ‘জ্ঞান অর্জনের শেষ নেই। বাঁচতে হলে শিখতে হবে এবং স্বাবলম্বী হতে হবে। শেখার মাধ্যমে ইতিবাচক দিক প্রকট হয়। শিক্ষা মনের সেই আঁধারে আলো ছড়ায় যেখানে ভবিষ্যতের পথ প্রশ্বস্ত হবে।’



