বরাক তরঙ্গ, ২৫ মার্চ : দেশের অন্যান্য স্থানের সঙ্গে মঙ্গলবার বোধনের মন্ত্রোচ্চারণে শিলচরেও শুরু হল বাসন্তী পুজো। বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের তালিকায় এই পুজোর মাহাত্ম্য অনস্বীকার্য। পুরাকাল থেকে চলে আসা এই বসন্তকালীন আরাধনা চলবে আগামী ২৮ মার্চ, শনিবার পর্যন্ত। অন্যান্য বছরের মতো এবছরও বেশ কয়েকটি পুজোর আয়োজন করা হয়।
শাস্ত্রজ্ঞদের মতে, এই ক’দিন নিষ্ঠাভরে দেবী দুর্গার আরাধনা করলে কেবল মানসিক শান্তিই নয়, বরং জীবনের যাবতীয় বাধাবিপত্তি থেকেও মুক্তি মেলে। তবে শুধু পুজো-অর্চনাই নয়, চলতি লোকবিশ্বাস ও জ্যোতিষশাস্ত্রে এই পুজোর দিনগুলিতে ‘হলুদ সর্ষে’র কিছু বিশেষ টোটকা পালনের রেওয়াজ রয়েছে, যা পালন করলে ঘর থেকে অশুভ শক্তি বিদায় নেয় বলে বিশ্বাস বহু মানুষের।
এ দিকে, শরৎকালে দেবী দুর্গার অকাল বোধন শুরু হওয়ার আগে বাসন্তী পুজোই ছিল বাঙালির আদি দুর্গাপুজো। সপ্তমী থেকে দশমী চার দিন ধরে চলে দুর্গার আরাধনা। বসন্তকালে হয় বলে এই পুজোর নাম বাসন্তী পুজো। শরৎকালে শারদীয়া নবরাত্রির শেষ চার দিনে যেমন মা দুর্গার পুজো করেন বাঙালিরা, তেমনই চৈত্র নবরাত্রির শেষ চার দিন ধরে চলে বাসন্তী পুজো।
চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের প্রতিপদ তিথি থেকে চৈত্র নবরাত্রি শুরু হয়। এই বছর চৈত্র নবরাত্রি শুরু হয় ১৯ মার্চ সকাল ৬টা ৫২ মিনিট থেকে। ২০ মার্চ ভোর ৪টে ৫১ মিনিট পর্যন্ত শুক্লা প্রতিপদ তিথি ছিল। তাই ১৯ মার্চই হবে চৈত্র নবরাত্রির প্রথম দিন। নবরাত্রি চলবে ২৭ মার্চ পর্যন্ত।



