২১ ফেব্রুয়ারি : মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নিয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগের নজির স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী শহিদ মিনার প্রাঙ্গণেই আনুষ্ঠানিক দোয়া মহফিলে অংশ নিলেন বলে দলীয় ও সরকারি সূত্র জানিয়েছে।
রাত ১২টা ৮ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার-এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা আন্দোলনের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সাধারণত শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ মিনার ত্যাগ করেন। তবে এবার সেই প্রচলিত রীতি ভেঙে তিনি শহীদ মিনার প্রাঙ্গণেই অবস্থান করে দোয়া মহফিলে অংশ নেন।
দোয়া পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের জ্যেষ্ঠ ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা নাজির মাহমুদ। মোনাজাতে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-র জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।
এ সময় দেশ ও জাতির কল্যাণ, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সফলতা কামনা করা হয়। দোয়া শেষে তিনি তাঁর মন্ত্রিসভা, দল এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকেও পৃথক পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে প্রতিবছর একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।



