বরাক তরঙ্গ, ২০ ফেব্রুয়ারি : বিধানসভা নির্বাচনের প্রাকমুহূর্তে গুয়াহাটিতে উপস্থিত কংগ্রেসের স্ক্রিনিং কমিটির সভানেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে কেন্দ্র করে যখন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে সাধারণ কর্মী পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছিলেন, ঠিক সেই সময় এক কংগ্রেস নেত্রীর আচরণে শুক্রবার রাজীব ভবনে কিছু সময়ের জন্য চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শুক্রবার গুয়াহাটির রাজীব ভবনে প্রবেশে বাধা পাওয়ায় এক কংগ্রেস নেত্রী হঠাৎ ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। প্রবল ক্ষোভের সঙ্গে তিনি যা বলেন, তা শুনে উপস্থিত সবাই হতবাক হয়ে যান। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “একসময় এখানে মৃত গরু ফেলা হয়েছিল। সেই মৃত গরু পরিষ্কার করেছিলাম আমি। আর আজ আমাকেই ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।”
দীর্ঘদিন ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে রাজীব ভবনে যাতায়াত করা এই কংগ্রেস কর্মী শুক্রবার নিজের দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হন। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন।
উল্লেখ্য, দুই দিনের সফরে বৃহস্পতিবার গুয়াহাটিতে পৌঁছানো প্রিয়ঙ্কা গান্ধী রাজীব ভবনে একের পর এক বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। তাঁর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে রাজীব ভবনে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সবাইকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। এই কঠোর নিরাপত্তার কারণে শুক্রবার ভুক্তভোগী হন প্রবীণ কংগ্রেস কর্মী বালিকা লাহন পেগু।
সাধারণত কংগ্রেসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত দেখা যায় এই প্রবীণ কর্মীকে। সেদিনও তিনি সর্বভারতীয় নেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে রাজীব ভবনে আসেন। কিন্তু প্রবেশে বাধা পাওয়ায় তিনি উত্তেজিত হয়ে পড়েন। পরে প্রবেশের অনুমতি পেলেও ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আগে এখানে মৃত গরু ফেলা হয়েছিল, সেটি আমি নিজেই পরিষ্কার করেছিলাম। আজ আমাকেই বাধা দেওয়া হচ্ছে।”
তাঁর এই ক্ষোভের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজীব ভবনে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে অন্যান্য কংগ্রেস কর্মীরা তাঁকে শান্ত করার চেষ্টা করে বলেন, “পরিস্থিতি নষ্ট করবেন না। এখানে মিডিয়া উপস্থিত রয়েছে। আপনার বয়সও হয়েছে।”
প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর উপস্থিতিতেই এই ঘটনাকে ঘিরে কিছু সময়ের জন্য রাজীব ভবনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।



