২০ ফেব্রুয়ারি : গ্রিস সরকার অনিবন্ধিত ও অনুমোদনহীন উপাসনালয়ের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে দেশজুড়ে ৬০টি মসজিদ চিহ্নিত করে বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের পরিচালিত প্রায় ২০–২৫টি মসজিদ থাকায় প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
গ্রিস সরকার অনিবন্ধিত ও অনুমোদনহীন উপাসনালয়ের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে দেশজুড়ে ৬০টি মসজিদ চিহ্নিত করে বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের পরিচালিত প্রায় ২০–২৫টি মসজিদ থাকায় প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
দেশটির অভিবাসন ও আশ্রয়নবিষয়ক মন্ত্রী থানোস প্লেভরিস সংসদীয় কমিটির এক বৈঠকে জানিয়েছেন, নতুন ‘ল ৫২২৪/২০২৫’-এর ২৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী অনুমোদনহীন উপাসনালয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় রাজধানী এথেন্সের অ্যাজিওস নিকোলাওস এলাকায় একটি বেজমেন্টে পরিচালিত মসজিদ সিলগালা করা হয়েছে।
ওই মসজিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি ইমামের রেসিডেন্স পারমিট বাতিল করা হয়েছে এবং তাকে দেশত্যাগের প্রক্রিয়ায় নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় এক বাসিন্দার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে স্থানটিকে অনুমোদনহীন উপাসনালয় হিসেবে চিহ্নিত করে সিলগালা করেছে। পরে আদালত অনুমতি ছাড়া নামাজ পরিচালনার অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন।
গ্রিস সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এথেন্সের ভোটানিকস এলাকায় সরকারি মসজিদই মুসলিমদের জন্য একমাত্র অনুমোদিত উপাসনাস্থল। তবে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দাবি করেছেন, সরকারি মসজিদটি তাদের প্রধান বসতি এলাকা থেকে দূরে হওয়ায় নিয়মিত নামাজ আদায় করা কঠিন। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে তারা ভাড়া করা ফ্ল্যাট বা বেজমেন্টে অস্থায়ীভাবে নামাজের ব্যবস্থা করে আসছিলেন।
বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিস-এর সাধারণ সম্পাদক এইচ এম জাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ে ইমাম ও খতিবদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক হয়েছে। রমজান মাসে ইবাদত নির্বিঘ্ন রাখতে এবং দীর্ঘমেয়াদি আইনি সমাধান করতে তারা অন্যান্য মুসলিম দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করবেন।



