মোহাম্মদ জনি, পাথারকান্দি।
বরাক তরঙ্গ, ১৬ ফেব্রুয়ারি : শিলচর থেকে নাম কীর্তন করে ভক্তরা সমবেত হন বারইগ্রাম শ্রীশ্রী গোপাল জিউ, শ্রীশ্রী রাধাবিনোদ জিউ ও শ্রীশ্রী রাধারমণ গোস্বামী জিউর আশ্রমে। সেখানে সারাদিন প্রতিটি মন্দিরে পূজা পার্বণ, নামকীর্তন করেন ভক্তরা। তীর্থ দর্শন রথযাত্রা প্রসঙ্গে রূপবাণীর পক্ষে নিভা মালাকার বলেন, এই তীর্থ দর্শন মূল উদ্দেশ্য অনেক ভক্ত শিষ্য নানা সমস্যার জন্য কাশি, গয়া, বৃন্দাবন যেতে পারেন না তাই তাদের নিয়ে প্রভুর শ্রীধামে নিয়ে আসা। প্রভুর সঙ্গীতে আছে “তোরা কে যাবি আয় বারইগ্রামে বারইগ্রামের পূর্ণ ভূমি কি কাম তোর কাশি ধাম”। যে যতই তীর্থ ভ্রমণ করেন যদি নিজের গুরু ধামে না যান তাহলে সব তীর্থ ভ্রমণ ব্যর্থ। তাই জীবনের একবার হলেও তীর্থ ভ্রমণ মানে গুরু ধামে দর্শন করতে হয়।
আশ্রমের প্রচার সম্পাদক কার্তিক পাল বলেন, রূপবাণী উপাসনা মণ্ডলী যেভাবে সবাইকে নিয়ে প্রভুর ধামে দর্শন করতে ভক্তদের নিয়ে আসেন টিক সেইভাবে প্রতিটি উপাসনা মণ্ডলী নিজ নিজ এলাকার ভক্ত শিষ্যদের নিয়ে প্রভুর ধামে এসে প্রভুর আশীর্বাদ নিয়ে যান৷
এ প্রসঙ্গে বিধানচন্দ্র দাস বলেন, প্রতিবছর আমরা রূপবাণী উপাসনা মন্ডলী থেকে প্রভুপাদ শ্রীশ্রী রাধারমণ গোস্বামী জিউর ভক্ত ও শিষ্য দের নিয়ে প্রভুর শ্রীধামে ভ্রমণে আসি। এই “তীর্থ দর্শন রথ” একত্রিত হয়ে শ্রীধামে আসার মূল উদ্দেশ্য অনেক শিষ্য বা ভক্তরা সময় ও অর্থের অভাবে আসতে পারেন না সেই দিকে নজর দিয়ে আমরা সম্মিলিত ভাবে সকলের সহযোগিতায় আশ্রমে আসি। এই তীর্থ দর্শন রথ নিয়ে আমরা শুধু নয় সারা বছর অসম, ত্রিপুরা সহ নানা স্থান থেকে ভক্তরা সমবেত হয়ে প্রভুর শ্রীধাম দর্শন করেন।
এদিনের এই তীর্থ দর্শন রথযাত্রা সফল করতে যারা সহযোগিতায় ছিলো তারা হলেন শিপন পাল, সুজলা সূত্রধর, ঊষারানি দাস, মুক্তা রায়, শুভম পাল, ঝন্টু মালাকার, শংকরী আচার্য, আশিস দে প্রমুখ।



