২৩ জানুয়ারি : ২১ কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা হয়েছিল জলের ট্যাঙ্ক। ৩৩টি গ্রামে এই ট্যাঙ্ক থেকেই পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল জলের। কিন্তু সেই জলের ট্যাঙ্কই ভেঙে পড়ল প্রথম দিনেই। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গুজরাত পুলিশ ইতিওধ্যেই মামলা দায়ের করেছে। এমনকি এই ঘটনার পর ধরপাকড়ও শুরু করা হয়েছে পুলিশের তরফে। Gaipagla Group Water Supply Scheme- এর গর্ব হতে চলেছিল প্রচুর অর্থ ব্যয় করে নির্মাণ করা এই জলের ট্যাঙ্কটি। তার পরিবর্তে গুজরাত প্রশাসনের কাছে একপ্রকার লজ্জা হয়ে দাঁড়িয়েই শুরুতেই এই জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ার ঘটনা।
১৯ জানুয়ারি জলের ট্যাঙ্কটি ট্রায়াল রানের সময় ভেঙে পড়ার পর, তিন শ্রমিক আহত হওয়ার এবং ফৌজদারি তদন্ত শুরু করার পর সাতজনকে গ্রেফতার করেছে প্রকৌশলী, ঠিকাদার এবং কর্মকর্তারা।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে জয়ন্তী সুপার কনস্ট্রাকশন প্রাইভেট লিমিটেড এবং এর যৌথ উদ্যোগের অংশীদার বাবুলাল আম্বালাল কি পেধি, এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনা পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান মার্স প্ল্যানিং প্রাইভেট লিমিটেডের প্রকল্প ব্যবস্থাপক এবং সাইট ইঞ্জিনিয়ার।
জানা যায়, এ দিন ১৫ মিটার উঁচু এই জলের ট্যাঙ্ক পরীক্ষা করার জন্য ভর্তি করেছিলেন ইঞ্জিনিয়াররা। তারকেশ্বর গ্রামে রয়েছে এই জলের ট্যাঙ্ক। আসলে এই জলের ট্যাঙ্কের কতটা ক্ষমতা, তা পরীক্ষা করার জন্যই ইঞ্জিনিয়াররা সুবিশাল এই ট্যাঙ্ক জলপূর্ণ করেছিলেন । আর তাতেই ঘটে বিপত্তি। উদ্বোধন হওয়ার আগেই হুড়মুড় করে ভেঙে পড়েছে ওই বিশাল আয়তনের ট্যাঙ্ক। ৯ লক্ষ লিটার জল ভরা ছিল ওই ট্যাঙ্কে। আর মুহূর্তেই তা ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। অত বড় ট্যাঙ্কে জল ভরার পরেই যে তা হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে যাবে, তা কল্পনা করেননি কেউই।



