১৭ জানুয়ারি : মহারাষ্ট্রের পুর নির্বাচনের ফলাফল গেরুয়া শিবিরকে বিপুল স্বস্তি দিলেও, রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রে উঠে এল মিম। ২০২৬ সালের মহারাষ্ট্র পুরভোটে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট একচেটিয়া দাপট দেখিয়ে অধিকাংশ পুরসভায় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে।
কিন্তু এই জয়ের মাঝেই যে বিষয়টি গেরুয়া শিবিরকে ভিতরে ভিতরে ভীত ও সতর্ক করে তুলেছে, তা হল আসাদউদ্দিন ওয়াইসির নেতৃত্বাধীন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের (AIMIM) অভূতপূর্ব উত্থান।
নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছে। মোট ৯৫টি আসনে জয় পেয়েছে দলটি, যা মহারাষ্ট্রের নগর রাজনীতিতে মিমের ইতিহাসে এক বড় মাইলফলক। বিশেষ করে মুম্বইয়ের মতো মেগাসিটিতে একাধিক ওয়ার্ডে জয় পেয়ে শক্ত ভিত তৈরি করেছে ওয়াইসির দল।
মুম্বই পুরনিগম নির্বাচনে মিমের পারফরম্যান্স রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চমক সৃষ্টি করেছে। একদিকে বিজেপি-শিবসেনা জোটের দাপট, অন্যদিকে কংগ্রেস ও এনসিপির দুর্বল ফল এই আবহেই মিমের প্রবেশ বহু সমীকরণ বদলে দিতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। মুম্বইয়ের মানখুর্দ এলাকায় মিমের জয় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এই এলাকা এতদিন সমাজবাদী পার্টির নেতা আবু আজমির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। সেখানে মিমের প্রার্থী জয়ী হওয়ায় এসপি-র প্রভাব বড় ধাক্কা খেয়েছে।
ছত্রপতি সম্ভাজিনগর (প্রাক্তন ঔরঙ্গাবাদ) পুরনিগমে মিম দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে। এখানে দলটি ২৪টি আসন জিতেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রার্থী বাছাই নিয়ে এই শহরে মিমের অন্দরে একসময় অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। সেই অন্তর্দ্বন্দ্ব সত্ত্বেও এত বড় সাফল্য রাজনৈতিক মহলে বিস্ময় তৈরি করেছে।



