শাহের দফতরের বাইরে ধর্না, পথে নামলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী

৯ জানুয়ারি : বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে, রাজনৈতিক তরজা তত বাড়ছে। রাজনৈতিক দলগুলির নেতা-নেত্রীরা প্রতিদিন জেলায় জেলায় সভা করছেন। আর সভা থেকে পরস্পরকে তোপ দেগে চলেছেন। শুধু নির্বাচনী প্রচার নয়, এসআইআর প্রক্রিয়াকে ঘিরেও বাড়ছে চাপানউতোর। এরইমধ্যে বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস ও প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি ঘিরে নানা ছবি সামনে এসেছে। শুক্রবার পথে নামছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার কলকাতা হাইকোর্টে ইডি ও তৃণমূলের মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

এ দিকে, আইপ্যাকের অফিস ও প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির অভিযানের প্রতিবাদে আজ সকালে নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দফতরের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূলের সাংসদরা। মোট আটজন সাংসদ প্ল্যাকার্ড হাতে শাহের দফতরের বাইরে ধর্নায় বসেন। ছিলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, সাকেত গোখলে, বাপি হালদার, শতাব্দী রায়, মহুয়া মৈত্র, কীর্তি আজাদ, প্রতিমা মণ্ডল ও শর্মিলা সরকার। পুলিশ প্রথমে তাঁদের সেখান থেকে উঠে যেতে বলেন। কিন্তু, তৃণমূল সাংসদরা যেতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের টেনে হিঁচড়ে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
এই নিয়ে সরব হন তৃণমূল সাংসদরা। মহুয়া মৈত্র বলেন, “বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে হারবে।”

বৃহস্পতিবার দিনভর এক নাটকীয় পরিস্থিতির সাক্ষী হয়েছে রাজ্যবাসী। ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের অফিসে যখন ইডি তল্লাশি চালাচ্ছে, তখন সেখানে হাজির হয়ে যান খোদ মুখ্যমন্ত্রী। দীর্ঘক্ষণ সেখানেই ছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতেও উপস্থিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাটকীয় পরিস্থিতির পর এবার থানায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *