মোহাম্মদ জনি, শ্রীভূমি।
বরাক তরঙ্গ, ১২ সেপ্টেম্বর : মুখ্যমন্ত্রীর আত্মনির্ভর অসম অভিযান (CMAAA)-এর আওতায় আয়োজিত হতে চলা চেক বিতরণ অনুষ্ঠানকে সফল করতে প্রস্তুতি শুরু করেছে পাথারকান্দি সহ-জেলা প্রশাসন। শনিবার অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে হাতিখিরা নাচঘর পরিদর্শন করেন পাথারকান্দির সমজেলা কমিশনার ত্রিদিব রায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহকারী কমিশনার সীমান্ত বিশ্বাস।
পরিদর্শনকালে প্রশাসনের আধিকারিকরা অনুষ্ঠানস্থলের পরিকাঠামো, মঞ্চ ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনা, উপভোক্তাদের বসার ব্যবস্থা, প্রবেশ ও নির্গমনের পথ, প্রয়োজনীয় পরিষেবা-সহ বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন যাতে কোনও ধরনের অসুবিধা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মুখ্যমন্ত্রীর আত্মনির্ভর অসম অভিযান-এর মাধ্যমে রাজ্যের যুবক-যুবতীসহ বিভিন্ন শ্রেণির উপভোক্তাদের আত্মনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত চেক বিতরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে হাতিখিরা এলাকায় ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সেই প্রস্তুতির অগ্রগতি সরেজমিনে পর্যালোচনা করতেই এদিন প্রশাসনের আধিকারিকরা অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেন।
এদিন ত্রিদিব রায় ও সীমান্ত বিশ্বাস প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং অনুষ্ঠান শুরুর আগেই সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দফতরের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখার বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরিদর্শনের সময় স্থানীয় চা-বাগানের শ্রমিক, সমাজকর্মী এবং এলাকার বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে প্রশাসনের আধিকারিকরা মতবিনিময় করেন। আসন্ন অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা, মতামত ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়েও আলোচনা হয়।
চা-বাগান এলাকার শ্রমজীবী মানুষ ও স্থানীয় সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রশাসনের এই সরাসরি মতবিনিময়কে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাঁদের আশা, আত্মনির্ভর অসম অভিযানের মাধ্যমে প্রকৃত উপভোক্তারা উপকৃত হবেন এবং স্বনির্ভরতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনুষ্ঠানটি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। উপভোক্তা ও সাধারণ মানুষ যাতে অনুষ্ঠানের দিন কোনও সমস্যার সম্মুখীন না হন, সেদিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।



